ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১২ ফেব্রুয়ারি ভোট সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর করতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 48

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছবি: সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা  ড. ইউনূস বলেছেন, এবারের সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে এবং তা সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করা সব পক্ষের দায়িত্ব। তিনি সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠককালে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন। প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার গণ মাধ্যমকে এইসব তথ্য জানান।

জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বৈঠকে অংশ নেন সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং রফিকুল ইসলাম খান। এ সময় উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, আদিলুর রহমান খান ও মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। বৈঠকে নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। রোববার রাতে

বৈঠকে জামায়াত নেতারা জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে পূর্ণোদ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। তারা জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জামায়াতের প্রচারণা শুরু হয়েছে; ২২ জানুয়ারি থেকে তা অন্য প্রচারণার সঙ্গে সমান্তরালভাবে চলবে।

ড. ইউনূস জামায়াত নেতাদের বলেন, ‘যেভাবেই হোক আমাদের ভালো নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচনের কোনো জরুরি তথ্য, অভিযোগ বা মতামত আমাদের জানান, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনের নজরে আনব; সরকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

তিনি আরও জানান, ভোটকেন্দ্রগুলোতে খুব দ্রুত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরাও ব্যবহার করা হবে। কন্ট্রোল রুম থেকে সব ফুটেজ মনিটর করা হবে এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারণার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “কেউ বলছে এটি আইনসম্মত কি না, আমরা নিশ্চিত করেছি এতে কোনো আইনগত বাধা নেই। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব সংস্কারের পক্ষে থাকা।”

এছাড়া তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভূত বিরোধ নিরসনের জন্য সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশগ্রহণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচনের জন্য একটি হটলাইন নম্বর চালু থাকবে, যেখানে সব ধরনের অভিযোগ গ্রহণ করা হবে। জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচন সফল করতে এবং দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১২ ফেব্রুয়ারি ভোট সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর করতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

সর্বশেষ আপডেট ১০:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

প্রধান উপদেষ্টা  ড. ইউনূস বলেছেন, এবারের সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে এবং তা সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করা সব পক্ষের দায়িত্ব। তিনি সকল রাজনৈতিক দলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠককালে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন। প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার গণ মাধ্যমকে এইসব তথ্য জানান।

জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বৈঠকে অংশ নেন সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং রফিকুল ইসলাম খান। এ সময় উপদেষ্টাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ড. ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, আদিলুর রহমান খান ও মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। বৈঠকে নির্বাচনের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। রোববার রাতে

বৈঠকে জামায়াত নেতারা জানান, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে পূর্ণোদ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। তারা জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে জামায়াতের প্রচারণা শুরু হয়েছে; ২২ জানুয়ারি থেকে তা অন্য প্রচারণার সঙ্গে সমান্তরালভাবে চলবে।

ড. ইউনূস জামায়াত নেতাদের বলেন, ‘যেভাবেই হোক আমাদের ভালো নির্বাচন করতে হবে। নির্বাচনের কোনো জরুরি তথ্য, অভিযোগ বা মতামত আমাদের জানান, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনের নজরে আনব; সরকারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।’

তিনি আরও জানান, ভোটকেন্দ্রগুলোতে খুব দ্রুত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বডি ক্যামেরাও ব্যবহার করা হবে। কন্ট্রোল রুম থেকে সব ফুটেজ মনিটর করা হবে এবং কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারণার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “কেউ বলছে এটি আইনসম্মত কি না, আমরা নিশ্চিত করেছি এতে কোনো আইনগত বাধা নেই। অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব সংস্কারের পক্ষে থাকা।”

এছাড়া তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় স্থানীয় পর্যায়ে উদ্ভূত বিরোধ নিরসনের জন্য সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অংশগ্রহণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচনের জন্য একটি হটলাইন নম্বর চালু থাকবে, যেখানে সব ধরনের অভিযোগ গ্রহণ করা হবে। জয়-পরাজয় যাই হোক না কেন, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচন সফল করতে এবং দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।