ঢাকা ১১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১০৪ ভুয়া ‘জুলাই যোদ্ধার’ গেজেট বাতিল হচ্ছে

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 114

ফাইল ছবি

জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা না রেখেও ‘জুলাই যোদ্ধা’র তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া ১০৪ জনকে চিহ্নিত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। চলতি সপ্তাহেই তাদের নামে জারি হওয়া গেজেট বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এছাড়া ২৩ ব্যক্তির নামে একাধিকবার গেজেট জারি হওয়ার ঘটনাও নজরে এসেছে মন্ত্রণালয়ের। তাদের ক্ষেত্রে একটি গেজেট বহাল রেখে বাকিগুলো বাতিল করা হবে। তবে ভুয়া ও একাধিকবার গেজেটপ্রাপ্ত ‘জুলাই যোদ্ধারা’ এককালীন ও মাসিক ভিত্তিতে যে ভাতা পেয়েছেন, সেই অর্থ কীভাবে ফেরত নেওয়া হবে—এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এর আগে জুলাই আন্দোলনে হতাহত ১৪ হাজার ৬৩৬ জনকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ স্বীকৃতি দিয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে কয়েক ধাপে গেজেট প্রকাশ করে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু প্রথম তালিকা প্রকাশের পরই এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। আন্দোলনে সম্পৃক্ত না হয়েও অনেকে যোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বলে অভিযোগ তোলেন জুলাইয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারীরা। ভুয়া জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলনও হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে চিঠি দিয়েও আলটিমেটাম দেন প্রকৃত জুলাই যোদ্ধারা। সমালোচনার মুখে তালিকা পুনরায় যাচাইয়ের উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়। অবশেষে যাচাই-বাছাইয়ের পর আট বিভাগ থেকে ১০৪ জন ভুয়া জুলাই যোদ্ধাকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ভুয়া যোদ্ধা হিসেবে যাদের চিহ্নিত করা হয়েছে, তারা জুলাই আন্দোলনে আহত হননি। মিথ্যা তথ্য দিয়ে তারা তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন। এমন ভুয়া যোদ্ধার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রাম বিভাগে—মোট ৩৫ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকেই চারজনের নামে দু’বার গেজেট জারি হয়েছে।

বাকি বিভাগের মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন ভুয়া ও একজনের নামে দু’বার গেজেট, সিলেট বিভাগে ২৬ জন ভুয়া ও একজনের দু’বার গেজেট, খুলনা বিভাগে ৫ জন ভুয়া ও ৪ জনের নামে দু’বার গেজেট, রংপুরে ২ জন ভুয়া, ঢাকা বিভাগে ৭ জন ভুয়া ও ৭ জনের নামে দু’বার গেজেট, রাজশাহী বিভাগে ৯ জন ভুয়া ও ৪ জনের নামে দু’বার গেজেট, আর বরিশাল বিভাগে ২ জনের নামে দু’বার গেজেট জারি হয়েছে।

মোট ১০৪ জন ভুয়া যোদ্ধা এবং একাধিকবার গেজেট জারি হওয়া ২৩ জনসহ ১২৭ জনের গেজেট বাতিলের বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটিগুলো।

বিধিমালা অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা এককালীন ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা পান। ‘খ’ ক্যাটাগরিতে থাকা গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধারা এককালীন ৩ লাখ টাকা ও মাসিক ১৫ হাজার টাকা, আর ‘গ’ ক্যাটাগরির আহত যোদ্ধারা এককালীন ১ লাখ টাকা ও মাসিক ১০ হাজার টাকা পান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ভুয়া যোদ্ধারাও গেজেটভুক্ত হয়ে এই আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। তাদের পেছনে সরকারের কয়েক কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। সেই অর্থ কীভাবে ফেরত নেওয়া হবে বা এ বিষয়ে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে—সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

যাচাই-বাছাই করে ভুয়া যোদ্ধা ও একাধিকবার গেজেটপ্রাপ্তদের যে তালিকা তৈরি করেছে মন্ত্রণালয়, তার কপিতে দেখা গেছে ময়মনসিংহ বিভাগে চিহ্নিত ২১ জন হলেন—
নেত্রকোনা জেলার সৈয়দ তরিকুল ইসলাম (৮০), মোহাম্মদ নুরুল আমিন (৮৮), তানভীর আহমেদ (১২১), আছিয়া খাতুন (১২৩), রুহুল আমিন (১২৭), মো. আমি হাসান রূপম (১২৯), মোহাম্মদ আকিব তালুকদার (১৪৬), মো. সুজন মিয়া (১৫৫), মো. ইমন শাহারিয়া (১৬৫), আশরাফুল ইসলাম জাসাম (১৭২), মুশফিকুর রহমান (১৯৭), মো. সজিব (১৯৮), সোহাগ মিয়া (১৯৯), রুবেল মিয়া (৩৬২), মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৩৬৩), রাব্বি হাসান শ্রীনি (৫৬৫), মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম (৫৬৬), মো. আবু ফরিদ আহামেদ (৫৬৭), আফরিনা জান্নাত (৫৭০) ও মাজহারুল ইসলাম (৬৪৮)।

ঢাকা বিভাগে ভুয়া যোদ্ধা চিহ্নিত হয়েছেন ৭ জন, এবং ৭ জনের নামে জারি হয়েছে একাধিক গেজেট। তারা হলেন—রাসেল (৬৭০), খন্দকার রাজ (১০৬৩), রাফিউল নাঈম (১১৬১), রাশেদুল ইসলাম অনিক (১১৬৩), আব্দুল্লাহ আল রাহাত (১১৬৬), মো. মঞ্জমুল আলম জিসান (১৯৩২), মো. সাইফুল ইসলাম শুভ (২৬৮২), মুহাম্মাদ রিয়াজুল হাসান (২৮৩৮), বেলায়াত হোসেন শাহীন (২৮৩৯), মুজবর মৃধা (৩৯৬৪), জিহাদ (৩৪১৩), মো. রফিকুল সরদার (৭৩৩), মো. মাসুদুর রহমান (৬৪৫), মোছা. রুমি (৩৪৩১) ও মো. রিয়াজ শরীফ (১৩৮২)।

চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে চিহ্নিত ৩৫ জনের মধ্যে রয়েছেন—মো. সাগর (৩২৮), আবদুল্লাহ আল নোমান (৪৬৯), নাইম উদ্দিন শাঈদ (৪৯২), মোহা. শরিফুল ইসলাম (৫১৫), শাহাদাত ইকবাজ তাহনি (৫২১), তাহমিনা ইকরার তারকি (৫২২), মাহাবী তাজওয়ার (৫৩৪), জসিম উদ্দিন (৫৪২), মো. আতিকুল ইসলাম (৫৫২), মো. ইয়াছিন (৫৬০), আরফাতুল ইসলাম (৫৯৫), মোহা. ফরহাদ আলম (৬০১), মোদাসাদ সাহাদ কবির এমরান (৬০৩), মুনজামিরুল হক চৌধুরী মামুর (৬১৬), পঠন চন্দ্রনাথ (৬২২), মিশকাত আলম রিয়াদ (৬৭৫), মো. এমরান (৭৯৭), মোহাম্মদ সাগর (৭৬৮), নুরুল্লাহ (৭৮৯), মোহাম্মদ রাফি (৭৯৯), ফয়সাল মোহাম্মদ শিয়াস (৮০২), মোছা. ইছনিয়া আকতার (৮২৪), মো. মাঈনুদ্দীন (৮২৫), সাইমন (৯৭৩), মো. আরিফ (১৯৭৬), রাসেল (১৯৮৬), রমজান আলী (৯৮৭), মাহিম চৌধুরী (৯৯৯) ও রিফাত বিন আল (১৯৯৯)।

এ বিষয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের দায়িত্বে থাকা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন বলেন, “যাচাই-বাছাই করে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, তাদের গেজেট বাতিল হবে। প্রক্রিয়াটি চলমান। গেজেট বাতিলের পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।”

ভুয়া যোদ্ধাদের দেওয়া ভাতার অর্থ ফেরত নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আগে গেজেট বাতিল করি, তারপর সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

সূত্র: কালবেলা

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১০৪ ভুয়া ‘জুলাই যোদ্ধার’ গেজেট বাতিল হচ্ছে

সর্বশেষ আপডেট ১০:১৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা না রেখেও ‘জুলাই যোদ্ধা’র তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া ১০৪ জনকে চিহ্নিত করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। চলতি সপ্তাহেই তাদের নামে জারি হওয়া গেজেট বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এছাড়া ২৩ ব্যক্তির নামে একাধিকবার গেজেট জারি হওয়ার ঘটনাও নজরে এসেছে মন্ত্রণালয়ের। তাদের ক্ষেত্রে একটি গেজেট বহাল রেখে বাকিগুলো বাতিল করা হবে। তবে ভুয়া ও একাধিকবার গেজেটপ্রাপ্ত ‘জুলাই যোদ্ধারা’ এককালীন ও মাসিক ভিত্তিতে যে ভাতা পেয়েছেন, সেই অর্থ কীভাবে ফেরত নেওয়া হবে—এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এর আগে জুলাই আন্দোলনে হতাহত ১৪ হাজার ৬৩৬ জনকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ স্বীকৃতি দিয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে কয়েক ধাপে গেজেট প্রকাশ করে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু প্রথম তালিকা প্রকাশের পরই এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। আন্দোলনে সম্পৃক্ত না হয়েও অনেকে যোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন বলে অভিযোগ তোলেন জুলাইয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারীরা। ভুয়া জুলাই যোদ্ধাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবিতে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলনও হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে চিঠি দিয়েও আলটিমেটাম দেন প্রকৃত জুলাই যোদ্ধারা। সমালোচনার মুখে তালিকা পুনরায় যাচাইয়ের উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়। অবশেষে যাচাই-বাছাইয়ের পর আট বিভাগ থেকে ১০৪ জন ভুয়া জুলাই যোদ্ধাকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, ভুয়া যোদ্ধা হিসেবে যাদের চিহ্নিত করা হয়েছে, তারা জুলাই আন্দোলনে আহত হননি। মিথ্যা তথ্য দিয়ে তারা তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন। এমন ভুয়া যোদ্ধার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চট্টগ্রাম বিভাগে—মোট ৩৫ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম থেকেই চারজনের নামে দু’বার গেজেট জারি হয়েছে।

বাকি বিভাগের মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগে ২০ জন ভুয়া ও একজনের নামে দু’বার গেজেট, সিলেট বিভাগে ২৬ জন ভুয়া ও একজনের দু’বার গেজেট, খুলনা বিভাগে ৫ জন ভুয়া ও ৪ জনের নামে দু’বার গেজেট, রংপুরে ২ জন ভুয়া, ঢাকা বিভাগে ৭ জন ভুয়া ও ৭ জনের নামে দু’বার গেজেট, রাজশাহী বিভাগে ৯ জন ভুয়া ও ৪ জনের নামে দু’বার গেজেট, আর বরিশাল বিভাগে ২ জনের নামে দু’বার গেজেট জারি হয়েছে।

মোট ১০৪ জন ভুয়া যোদ্ধা এবং একাধিকবার গেজেট জারি হওয়া ২৩ জনসহ ১২৭ জনের গেজেট বাতিলের বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে সংশ্লিষ্ট জেলা কমিটিগুলো।

বিধিমালা অনুযায়ী, গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা এককালীন ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র ও মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা পান। ‘খ’ ক্যাটাগরিতে থাকা গুরুতর আহত জুলাই যোদ্ধারা এককালীন ৩ লাখ টাকা ও মাসিক ১৫ হাজার টাকা, আর ‘গ’ ক্যাটাগরির আহত যোদ্ধারা এককালীন ১ লাখ টাকা ও মাসিক ১০ হাজার টাকা পান।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, ভুয়া যোদ্ধারাও গেজেটভুক্ত হয়ে এই আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। তাদের পেছনে সরকারের কয়েক কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। সেই অর্থ কীভাবে ফেরত নেওয়া হবে বা এ বিষয়ে কী ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে—সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

যাচাই-বাছাই করে ভুয়া যোদ্ধা ও একাধিকবার গেজেটপ্রাপ্তদের যে তালিকা তৈরি করেছে মন্ত্রণালয়, তার কপিতে দেখা গেছে ময়মনসিংহ বিভাগে চিহ্নিত ২১ জন হলেন—
নেত্রকোনা জেলার সৈয়দ তরিকুল ইসলাম (৮০), মোহাম্মদ নুরুল আমিন (৮৮), তানভীর আহমেদ (১২১), আছিয়া খাতুন (১২৩), রুহুল আমিন (১২৭), মো. আমি হাসান রূপম (১২৯), মোহাম্মদ আকিব তালুকদার (১৪৬), মো. সুজন মিয়া (১৫৫), মো. ইমন শাহারিয়া (১৬৫), আশরাফুল ইসলাম জাসাম (১৭২), মুশফিকুর রহমান (১৯৭), মো. সজিব (১৯৮), সোহাগ মিয়া (১৯৯), রুবেল মিয়া (৩৬২), মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (৩৬৩), রাব্বি হাসান শ্রীনি (৫৬৫), মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম (৫৬৬), মো. আবু ফরিদ আহামেদ (৫৬৭), আফরিনা জান্নাত (৫৭০) ও মাজহারুল ইসলাম (৬৪৮)।

ঢাকা বিভাগে ভুয়া যোদ্ধা চিহ্নিত হয়েছেন ৭ জন, এবং ৭ জনের নামে জারি হয়েছে একাধিক গেজেট। তারা হলেন—রাসেল (৬৭০), খন্দকার রাজ (১০৬৩), রাফিউল নাঈম (১১৬১), রাশেদুল ইসলাম অনিক (১১৬৩), আব্দুল্লাহ আল রাহাত (১১৬৬), মো. মঞ্জমুল আলম জিসান (১৯৩২), মো. সাইফুল ইসলাম শুভ (২৬৮২), মুহাম্মাদ রিয়াজুল হাসান (২৮৩৮), বেলায়াত হোসেন শাহীন (২৮৩৯), মুজবর মৃধা (৩৯৬৪), জিহাদ (৩৪১৩), মো. রফিকুল সরদার (৭৩৩), মো. মাসুদুর রহমান (৬৪৫), মোছা. রুমি (৩৪৩১) ও মো. রিয়াজ শরীফ (১৩৮২)।

চট্টগ্রাম বিভাগ থেকে চিহ্নিত ৩৫ জনের মধ্যে রয়েছেন—মো. সাগর (৩২৮), আবদুল্লাহ আল নোমান (৪৬৯), নাইম উদ্দিন শাঈদ (৪৯২), মোহা. শরিফুল ইসলাম (৫১৫), শাহাদাত ইকবাজ তাহনি (৫২১), তাহমিনা ইকরার তারকি (৫২২), মাহাবী তাজওয়ার (৫৩৪), জসিম উদ্দিন (৫৪২), মো. আতিকুল ইসলাম (৫৫২), মো. ইয়াছিন (৫৬০), আরফাতুল ইসলাম (৫৯৫), মোহা. ফরহাদ আলম (৬০১), মোদাসাদ সাহাদ কবির এমরান (৬০৩), মুনজামিরুল হক চৌধুরী মামুর (৬১৬), পঠন চন্দ্রনাথ (৬২২), মিশকাত আলম রিয়াদ (৬৭৫), মো. এমরান (৭৯৭), মোহাম্মদ সাগর (৭৬৮), নুরুল্লাহ (৭৮৯), মোহাম্মদ রাফি (৭৯৯), ফয়সাল মোহাম্মদ শিয়াস (৮০২), মোছা. ইছনিয়া আকতার (৮২৪), মো. মাঈনুদ্দীন (৮২৫), সাইমন (৯৭৩), মো. আরিফ (১৯৭৬), রাসেল (১৯৮৬), রমজান আলী (৯৮৭), মাহিম চৌধুরী (৯৯৯) ও রিফাত বিন আল (১৯৯৯)।

এ বিষয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তরের দায়িত্বে থাকা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন বলেন, “যাচাই-বাছাই করে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, তাদের গেজেট বাতিল হবে। প্রক্রিয়াটি চলমান। গেজেট বাতিলের পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।”

ভুয়া যোদ্ধাদের দেওয়া ভাতার অর্থ ফেরত নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আগে গেজেট বাতিল করি, তারপর সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

সূত্র: কালবেলা