ঢাকা ০২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

১০-১ গোলে ম্যানচেস্টার সিটির আকাশছোঁয়া জয়

স্পোর্টস ডেস্ক, ইব্রাহীম ওয়ালিদ
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 42

এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে ম্যানচেস্টার সিটি রীতিমতো শক্তির মহড়া দেখিয়েছে। শনিবার এতিহাদ স্টেডিয়ামে লিগ ওয়ানের দল এক্সেটার সিটিকে ১০-১ গোলে হারিয়েছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।

দলে নতুন যোগদানকারী অঁতোয়ান সেমেনি গোল দিয়ে অভিষেকের স্বাদ উপভোগ করেছেন। ২০ মাস পর রদ্রি গোলের দেখা পেয়েছেন, আর রিকো লুইস করেছেন জোড়া গোল।

সিটির হয়ে তরুণ ম্যাক্স অ্যালেইন প্রথম সিনিয়র গোল করেছেন। এছাড়া দুটি আত্মঘাতী গোলের পাশাপাশি তিজানি রেইনডার্স, নিকো ও’রাইলি এবং ১৭ বছর বয়সী রায়ান ম্যাকআইডু গোলের খাতায় নাম লেখান। এক্সেটারের একমাত্র গোলটি আসে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে জর্জ বার্চ-এর দুর্দান্ত শট থেকে।

প্রিমিয়ার লিগে টানা তিন ম্যাচ ড্রয়ের হতাশার পর এবং মাঝ সপ্তাহে কারাবাও কাপের সেমিফাইনাল সামনে রেখে, এটি ছিল সিটির জন্য প্রত্যাশামতোই স্বস্তির এক বিকেল।

১৯৮৭ সালে হাডার্সফিল্ডের বিপক্ষে একই ব্যবধানে জয় অর্জনের পর এটি তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়। এর আগে ২০১৯ সালে বার্টনের বিপক্ষে ৯-০ গোলে জয় পেয়েছিল সিটি।

এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার কারণে ডাগআউটে ছিলেন না পেপ গার্দিওলা, তবে একাদশ নির্বাচনে স্পষ্ট ছিল যে ম্যাচটি হালকাভাবে নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। ছয়টি পরিবর্তন থাকলেও একাদশ ছিল শক্তিশালী। এছাড়া ৬ কোটি ২৫ লাখ পাউন্ডে বোর্নমাউথ থেকে আসা সেমেনি প্রথমবারের মতো অভিষেক করেছেন। শুরুর একাদশে ছিলেন রদ্রি ও আর্লিং হলান্ড, আর ম্যাকআইডু প্রথমবারের মতো সিটির হয়ে মাঠে নামেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১০-১ গোলে ম্যানচেস্টার সিটির আকাশছোঁয়া জয়

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে ম্যানচেস্টার সিটি রীতিমতো শক্তির মহড়া দেখিয়েছে। শনিবার এতিহাদ স্টেডিয়ামে লিগ ওয়ানের দল এক্সেটার সিটিকে ১০-১ গোলে হারিয়েছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।

দলে নতুন যোগদানকারী অঁতোয়ান সেমেনি গোল দিয়ে অভিষেকের স্বাদ উপভোগ করেছেন। ২০ মাস পর রদ্রি গোলের দেখা পেয়েছেন, আর রিকো লুইস করেছেন জোড়া গোল।

সিটির হয়ে তরুণ ম্যাক্স অ্যালেইন প্রথম সিনিয়র গোল করেছেন। এছাড়া দুটি আত্মঘাতী গোলের পাশাপাশি তিজানি রেইনডার্স, নিকো ও’রাইলি এবং ১৭ বছর বয়সী রায়ান ম্যাকআইডু গোলের খাতায় নাম লেখান। এক্সেটারের একমাত্র গোলটি আসে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে জর্জ বার্চ-এর দুর্দান্ত শট থেকে।

প্রিমিয়ার লিগে টানা তিন ম্যাচ ড্রয়ের হতাশার পর এবং মাঝ সপ্তাহে কারাবাও কাপের সেমিফাইনাল সামনে রেখে, এটি ছিল সিটির জন্য প্রত্যাশামতোই স্বস্তির এক বিকেল।

১৯৮৭ সালে হাডার্সফিল্ডের বিপক্ষে একই ব্যবধানে জয় অর্জনের পর এটি তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জয়। এর আগে ২০১৯ সালে বার্টনের বিপক্ষে ৯-০ গোলে জয় পেয়েছিল সিটি।

এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার কারণে ডাগআউটে ছিলেন না পেপ গার্দিওলা, তবে একাদশ নির্বাচনে স্পষ্ট ছিল যে ম্যাচটি হালকাভাবে নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই। ছয়টি পরিবর্তন থাকলেও একাদশ ছিল শক্তিশালী। এছাড়া ৬ কোটি ২৫ লাখ পাউন্ডে বোর্নমাউথ থেকে আসা সেমেনি প্রথমবারের মতো অভিষেক করেছেন। শুরুর একাদশে ছিলেন রদ্রি ও আর্লিং হলান্ড, আর ম্যাকআইডু প্রথমবারের মতো সিটির হয়ে মাঠে নামেন।