ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ভিজিএফ কার্ড পেতে ভিড়

হোসেনপুরে অসহায়দের মুখে হাসি ফুটালেন ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৫:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫
  • / 310

হোসেনপুরে অসহায়দের মুখে হাসি ফুটালেন ইউএনও

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় ভিজিএফ কার্ড সংগ্রহের জন্য গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকেই তারা উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে জড়ো হন, প্রত্যাশা—ঈদ উপলক্ষে সরকারি সহায়তার অংশীদার হতে পারবেন। অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যদি কার্ড না পান তবে হয়তো খালি হাতে ফিরে যেতে হবে।

তবে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী নাহিদ ইভা তাদের নিরাশ করেননি। মঙ্গলবার (৩ জুন) উপজেলা পরিষদের হলরুমে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে অসহায় মানুষের হাতে ভিজিএফ কার্ড তুলে দেন। তার এই মানবিক উদ্যোগে সকাল থেকে ভিড় করা মানুষের মুখে হাসি ফুটে ওঠে।

কার্ড পাওয়ার পর উপস্থিত অনেকের মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি। কেউ কেউ আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এই সহায়তা তাদের ঈদের আনন্দকে আরও গভীর করেছে।

ভিজিএফ কার্ড পাওয়া এক বৃদ্ধা বলেন, “ভেবেছিলাম কিছুই পাব না। কিন্তু ইউএনও স্যার নিজে দাঁড়িয়ে থেকে আমাদের হাতে চালের কার্ড দিয়েছেন। শান্তি লাগছে।” তার এই বক্তব্য প্রমাণ করে—সরকারি সহায়তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং মানুষের জীবনে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ইউএনও কাজী নাহিদ ইভা বলেন, “ভিজিএফ কার্ড পেতে সকাল থেকেই লোকজন অফিসে ভিড় করছেন। চেষ্টা করেছি যাতে কেউ খালি হাতে না ফিরে যায়। জনপ্রতি ১০ কেজি চালের ভিজিএফ কার্ড প্রদান করা হয়েছে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভিজিএফ কার্ড পেতে ভিড়

হোসেনপুরে অসহায়দের মুখে হাসি ফুটালেন ইউএনও

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৫:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ জুন ২০২৫

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় ভিজিএফ কার্ড সংগ্রহের জন্য গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকেই তারা উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে জড়ো হন, প্রত্যাশা—ঈদ উপলক্ষে সরকারি সহায়তার অংশীদার হতে পারবেন। অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেন, যদি কার্ড না পান তবে হয়তো খালি হাতে ফিরে যেতে হবে।

তবে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী নাহিদ ইভা তাদের নিরাশ করেননি। মঙ্গলবার (৩ জুন) উপজেলা পরিষদের হলরুমে তিনি নিজে উপস্থিত থেকে অসহায় মানুষের হাতে ভিজিএফ কার্ড তুলে দেন। তার এই মানবিক উদ্যোগে সকাল থেকে ভিড় করা মানুষের মুখে হাসি ফুটে ওঠে।

কার্ড পাওয়ার পর উপস্থিত অনেকের মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি। কেউ কেউ আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, এই সহায়তা তাদের ঈদের আনন্দকে আরও গভীর করেছে।

ভিজিএফ কার্ড পাওয়া এক বৃদ্ধা বলেন, “ভেবেছিলাম কিছুই পাব না। কিন্তু ইউএনও স্যার নিজে দাঁড়িয়ে থেকে আমাদের হাতে চালের কার্ড দিয়েছেন। শান্তি লাগছে।” তার এই বক্তব্য প্রমাণ করে—সরকারি সহায়তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং মানুষের জীবনে কতটা ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

ইউএনও কাজী নাহিদ ইভা বলেন, “ভিজিএফ কার্ড পেতে সকাল থেকেই লোকজন অফিসে ভিড় করছেন। চেষ্টা করেছি যাতে কেউ খালি হাতে না ফিরে যায়। জনপ্রতি ১০ কেজি চালের ভিজিএফ কার্ড প্রদান করা হয়েছে।”