ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হিজাব বিতর্ক: ভিকারুননিসার শিক্ষিকা সাময়িক বরখাস্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 143

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ

হিজাব পরায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস থেকে বের করার অভিযোগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষিকা ফজিলাতুন নাহারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বসুন্ধরা প্রভাতি শাখার ষষ্ঠ শ্রেণির ২২ জন শিক্ষার্থী হিজাব পরায় ক্লাস থেকে বের করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবং এডহক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফজিলাতুন নাহারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি তাকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে, যাতে জানা যায় কেন তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না।

ঘটনার সূত্রে জানা যায়, ২৪ আগস্ট ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী হিজাব পরায় ক্লাস থেকে বের করা হয়। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা জানান, দিনব্যাপী তারা হিজাব পরে ক্লাসে উপস্থিত থাকলেও শেষ পিরিয়ডের ইংরেজি শিক্ষিকা ফজিলাতুন নাহার তাদের ক্লাস থেকে বের করে দেন। এই সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগও উঠেছে।

কিছু অভিভাবক জানান, তাদের সন্তানরা ক্লাসে হিজাব পরে গিয়েছিল। কিন্তু ফিরে এসে জানায়, হিজাব পরার কারণে ক্লাস থেকে বের করা হয়েছে এবং ‘মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মতো হিজাব কেন পড়ছে’ এমন কথাও শুনতে হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফজিলাতুন নাহারের বক্তব্য, তিনি শিক্ষার্থীদের হিজাব পড়তে নিষেধ করেননি। তিনি শুধু বলেন, হিজাব সঠিকভাবে পড়তে হবে। এজন্য কয়েকজন শিক্ষার্থী ১০–১৫ মিনিটের জন্য ক্লাসের বাইরে দাঁড় করানো হয়েছিল। পরে তারা আবার ক্লাসে যোগ দিয়েছে। তিনি আরও জানান, পরদিন একজন স্বেচ্ছাসেবক তাদের সঠিকভাবে হিজাব পড়ার নিয়ম দেখাবেন।

তিনি স্পষ্ট করেন, তিনি শিক্ষার্থীদের ‘জঙ্গি’ বলেননি। তিনি কেবল উল্লেখ করেছেন যে, হিজাবের ধরন মাদরাসার ছাত্রীদের মতো ছিল, যেহেতু তারা মাদরাসায় পড়ে না। জঙ্গি বলার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হিজাব বিতর্ক: ভিকারুননিসার শিক্ষিকা সাময়িক বরখাস্ত

সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

হিজাব পরায় শিক্ষার্থীদের ক্লাস থেকে বের করার অভিযোগে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষিকা ফজিলাতুন নাহারকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে স্কুলের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বসুন্ধরা প্রভাতি শাখার ষষ্ঠ শ্রেণির ২২ জন শিক্ষার্থী হিজাব পরায় ক্লাস থেকে বের করার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবং এডহক কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফজিলাতুন নাহারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি তাকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে, যাতে জানা যায় কেন তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে না।

ঘটনার সূত্রে জানা যায়, ২৪ আগস্ট ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী হিজাব পরায় ক্লাস থেকে বের করা হয়। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা জানান, দিনব্যাপী তারা হিজাব পরে ক্লাসে উপস্থিত থাকলেও শেষ পিরিয়ডের ইংরেজি শিক্ষিকা ফজিলাতুন নাহার তাদের ক্লাস থেকে বের করে দেন। এই সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আপত্তিকর আচরণের অভিযোগও উঠেছে।

কিছু অভিভাবক জানান, তাদের সন্তানরা ক্লাসে হিজাব পরে গিয়েছিল। কিন্তু ফিরে এসে জানায়, হিজাব পরার কারণে ক্লাস থেকে বের করা হয়েছে এবং ‘মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মতো হিজাব কেন পড়ছে’ এমন কথাও শুনতে হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফজিলাতুন নাহারের বক্তব্য, তিনি শিক্ষার্থীদের হিজাব পড়তে নিষেধ করেননি। তিনি শুধু বলেন, হিজাব সঠিকভাবে পড়তে হবে। এজন্য কয়েকজন শিক্ষার্থী ১০–১৫ মিনিটের জন্য ক্লাসের বাইরে দাঁড় করানো হয়েছিল। পরে তারা আবার ক্লাসে যোগ দিয়েছে। তিনি আরও জানান, পরদিন একজন স্বেচ্ছাসেবক তাদের সঠিকভাবে হিজাব পড়ার নিয়ম দেখাবেন।

তিনি স্পষ্ট করেন, তিনি শিক্ষার্থীদের ‘জঙ্গি’ বলেননি। তিনি কেবল উল্লেখ করেছেন যে, হিজাবের ধরন মাদরাসার ছাত্রীদের মতো ছিল, যেহেতু তারা মাদরাসায় পড়ে না। জঙ্গি বলার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।