ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
২৬ রানে ৫ উইকেট

সেই পুরোনো রোগ ধরে বসলো বাংলাদেশকে

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • / 156

সেই পুরোনো রোগ ধরে বসলো বাংলাদেশকে

মুশফিকুর রহিম আউট হলেন। এরপরই সেই পুরোনো রোগ ধরে বসলো বাংলাদেশকে। একের পর এক উইকেট হারাতে থাকলো টাইগাররা। শেষ বিকেলে ২৬ রানের মধ্যে ৫টি উইকেট হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

ফলে দারুণ ব্যাটিংয়ের পরও গল টেস্টে ৫০০ রান করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের জন্য। আলোকস্বল্পতায় দ্বিতীয় দিনের খেলা বন্ধ হওয়ার আগে সফরকারী দলের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৪৮৪ রান। হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা শূন্য রান নিয়ে শেষ জুটি হিসেবে ক্রিজে রয়েছেন।

এর আগে আজ বুধবার ৩ উইকেটে ২৯২ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্ত ১৩৬ ও মুশফিকুর রহিম ১০৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।

ভক্ত-সমর্থকরা আশা করছিলেন শান্ত ২০০ রানের ইনিংস খেলবেন। মুশফিকও একই আশায় ছিলেন। কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি। ১৫০ রানের কাছাকাছি গিয়ে আউট হন শান্ত।

দ্বিতীয় দিনের সপ্তম ওভারে শ্রীলঙ্কার পেসার আসিথা ফার্নান্দোর বলে ড্রাইভ করতে গিয়েছিলেন শান্ত। কিন্তু শটটি ঠিকঠাক হয়নি। মিডঅফে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

২৭৯ বলে ১৪৮ রানের (১৫ চার ও ১ ছক্কা) এক দারুণ ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন শান্ত। এতে ভাঙে চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশের ২৬৪ রানের অনবদ্য জুটি।

৪০০ পার করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। উইকেটের মাঝে দৌড়ে ও বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানের চাকা দ্রুতই ঘোরাচ্ছিলেন তাঁরা। মুশফিক-লিটনের ছন্দময় সেই খেলায় বাধা সৃষ্টি করে বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে দিনের প্রায় ২০ ওভারের মতো খেলা নষ্ট হয়েছে।

পঞ্চম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১৪৯ রানের জুটি গড়েন মুশফিক ও লিটন। মুশফিক এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন ব্যক্তিগত ১৬৩ রানে আসিথা ফার্নান্দোর বলে। ৩৫০ বলের ইনিংসে ৯টি বাউন্ডারি হাঁকান অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।

পরের ওভারেই ভুল করেন লিটন। সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় এসে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে রত্নানায়েকের বলে গ্লাভসে লেগে বল ওপরে উঠে যায়। উইকেটরক্ষক নেন সহজ ক্যাচ। ১২৩ বলে ১১ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৯০ রানেই থামে লিটনের নজরকাড়া ইনিংসটি।

এরপর জাকের আলী বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। পেসার মিলান রত্নানায়েকের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ডিফেন্স করেও স্টাম্প হারান তিনি। ৮ রানেই সাজঘরে ফেরেন জাকের। রত্নানায়েক বোল্ড করেন তাইজুল ইসলামকেও (৬)। বেরিয়ে যেতে থাকা বল ব্যাটে লাগিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন নাঈম হাসান (১১)।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

২৬ রানে ৫ উইকেট

সেই পুরোনো রোগ ধরে বসলো বাংলাদেশকে

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

মুশফিকুর রহিম আউট হলেন। এরপরই সেই পুরোনো রোগ ধরে বসলো বাংলাদেশকে। একের পর এক উইকেট হারাতে থাকলো টাইগাররা। শেষ বিকেলে ২৬ রানের মধ্যে ৫টি উইকেট হারিয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

ফলে দারুণ ব্যাটিংয়ের পরও গল টেস্টে ৫০০ রান করা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের জন্য। আলোকস্বল্পতায় দ্বিতীয় দিনের খেলা বন্ধ হওয়ার আগে সফরকারী দলের সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৪৮৪ রান। হাসান মাহমুদ ও নাহিদ রানা শূন্য রান নিয়ে শেষ জুটি হিসেবে ক্রিজে রয়েছেন।

এর আগে আজ বুধবার ৩ উইকেটে ২৯২ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্ত ১৩৬ ও মুশফিকুর রহিম ১০৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।

ভক্ত-সমর্থকরা আশা করছিলেন শান্ত ২০০ রানের ইনিংস খেলবেন। মুশফিকও একই আশায় ছিলেন। কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি। ১৫০ রানের কাছাকাছি গিয়ে আউট হন শান্ত।

দ্বিতীয় দিনের সপ্তম ওভারে শ্রীলঙ্কার পেসার আসিথা ফার্নান্দোর বলে ড্রাইভ করতে গিয়েছিলেন শান্ত। কিন্তু শটটি ঠিকঠাক হয়নি। মিডঅফে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

২৭৯ বলে ১৪৮ রানের (১৫ চার ও ১ ছক্কা) এক দারুণ ইনিংস খেলে মাঠ ছাড়েন শান্ত। এতে ভাঙে চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশের ২৬৪ রানের অনবদ্য জুটি।

৪০০ পার করে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। উইকেটের মাঝে দৌড়ে ও বাউন্ডারি হাঁকিয়ে রানের চাকা দ্রুতই ঘোরাচ্ছিলেন তাঁরা। মুশফিক-লিটনের ছন্দময় সেই খেলায় বাধা সৃষ্টি করে বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে দিনের প্রায় ২০ ওভারের মতো খেলা নষ্ট হয়েছে।

পঞ্চম উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ১৪৯ রানের জুটি গড়েন মুশফিক ও লিটন। মুশফিক এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন ব্যক্তিগত ১৬৩ রানে আসিথা ফার্নান্দোর বলে। ৩৫০ বলের ইনিংসে ৯টি বাউন্ডারি হাঁকান অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।

পরের ওভারেই ভুল করেন লিটন। সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় এসে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে রত্নানায়েকের বলে গ্লাভসে লেগে বল ওপরে উঠে যায়। উইকেটরক্ষক নেন সহজ ক্যাচ। ১২৩ বলে ১১ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ৯০ রানেই থামে লিটনের নজরকাড়া ইনিংসটি।

এরপর জাকের আলী বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। পেসার মিলান রত্নানায়েকের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে ডিফেন্স করেও স্টাম্প হারান তিনি। ৮ রানেই সাজঘরে ফেরেন জাকের। রত্নানায়েক বোল্ড করেন তাইজুল ইসলামকেও (৬)। বেরিয়ে যেতে থাকা বল ব্যাটে লাগিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন নাঈম হাসান (১১)।