ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিলেটে ভাঙা হবে ২৩ ভবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • / 52

কখনো সীমান্তের ওপারে ভারতের মেঘালয়ের ডাউকি ফল্ট, আবার কখনো উৎপত্তিস্থল সিলেট বিভাগের ভেতর। আবার কখনও রাজধানীর শহর ঢাকার কেন্দ্রবিন্দু। পর্যায়ক্রমে কম্পিত হওয়া একের পর এক ভূমিকম্পে আতঙ্কে দিন কাটছে সিলেট নগরবাসীর।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা স্থানীয় ফল্টগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠায় ভূমিকম্পের হার দ্রুত বাড়ছে। ভূতাত্ত্বিকভাবে ‘ডেঞ্জার জোন’-এ থাকা সিলেটে তাই বড় ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সিলেট নগরীতে যমদূতের মতো দাঁড়িয়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ পুরনো ভবনগুলো বড় ধরনের আতঙ্ক তৈরি করেছে। বড় ভূমিকম্প হলে এসব ভবন ধসে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছেন নগরবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। তবুও এতদিন সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো উদাসীনই ছিল। তবে এবার নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানিয়েছেন, ‘সিলেট নগরীর ২৩টি বিপজ্জনক ভবন ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেগুলো খুব শীঘ্রই ভেঙে ফেলা হবে। এর মধ্যে সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি ভবন রয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই অপসারণের কাজ শুরু হবে।’

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য মতে, নগরীর অধিকাংশ পুরনো ভবনের নকশায় ভূমিকম্প প্রতিরোধী ব্যবস্থা নেই। তীব্র কম্পনে এগুলোতেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা। ঝুঁকির মধ্যে থাকা ভবনগুলোর মাঝে রয়েছে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক মার্কেট ও আবাসিক ভবন।

জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম বলেন, ‘সিলেট নগরীর ২৩টি বিপজ্জনক ভবন ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেগুলো খুব শীঘ্রই ভেঙে ফেলা হবে। এর মধ্যে সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি ভবন রয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই অপসারণের কাজ শুরু হবে। চিহ্নিত ভবনগুলোতে এখনো কেউ কেউ বসবাস করছে বা কাজ করছে। দ্রুত অপসারণ না করলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নাগরিকদের সুরক্ষার জন্যই আমরা জরুরি ভিত্তিতে ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সিলেটে ভাঙা হবে ২৩ ভবন

সর্বশেষ আপডেট ১২:১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

কখনো সীমান্তের ওপারে ভারতের মেঘালয়ের ডাউকি ফল্ট, আবার কখনো উৎপত্তিস্থল সিলেট বিভাগের ভেতর। আবার কখনও রাজধানীর শহর ঢাকার কেন্দ্রবিন্দু। পর্যায়ক্রমে কম্পিত হওয়া একের পর এক ভূমিকম্পে আতঙ্কে দিন কাটছে সিলেট নগরবাসীর।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকা স্থানীয় ফল্টগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠায় ভূমিকম্পের হার দ্রুত বাড়ছে। ভূতাত্ত্বিকভাবে ‘ডেঞ্জার জোন’-এ থাকা সিলেটে তাই বড় ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সিলেট নগরীতে যমদূতের মতো দাঁড়িয়ে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ পুরনো ভবনগুলো বড় ধরনের আতঙ্ক তৈরি করেছে। বড় ভূমিকম্প হলে এসব ভবন ধসে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছেন নগরবিদ ও বিশেষজ্ঞরা। তবুও এতদিন সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো উদাসীনই ছিল। তবে এবার নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম জানিয়েছেন, ‘সিলেট নগরীর ২৩টি বিপজ্জনক ভবন ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেগুলো খুব শীঘ্রই ভেঙে ফেলা হবে। এর মধ্যে সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি ভবন রয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই অপসারণের কাজ শুরু হবে।’

ফায়ার সার্ভিসের তথ্য মতে, নগরীর অধিকাংশ পুরনো ভবনের নকশায় ভূমিকম্প প্রতিরোধী ব্যবস্থা নেই। তীব্র কম্পনে এগুলোতেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা। ঝুঁকির মধ্যে থাকা ভবনগুলোর মাঝে রয়েছে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক মার্কেট ও আবাসিক ভবন।

জেলা প্রশাসক সারওয়ার আলম বলেন, ‘সিলেট নগরীর ২৩টি বিপজ্জনক ভবন ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। যেগুলো খুব শীঘ্রই ভেঙে ফেলা হবে। এর মধ্যে সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি ভবন রয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকেই অপসারণের কাজ শুরু হবে। চিহ্নিত ভবনগুলোতে এখনো কেউ কেউ বসবাস করছে বা কাজ করছে। দ্রুত অপসারণ না করলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। নাগরিকদের সুরক্ষার জন্যই আমরা জরুরি ভিত্তিতে ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’