সিবিএ নির্বাচন ইস্যুতে ফের বিক্ষোভে উত্তাল মোংলা বন্দর
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:০২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
- / 138
মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী সংঘের (সিবিএ) নির্বাচন ইস্যুতে ফের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে বন্দর এলাকা। গঠিত এডহক কমিটির নির্বাচন কালক্ষেপণসহ সিবিএ’র ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা উত্তোলন এবং কর্তৃপক্ষের উর্ধ্বতন পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়েরের প্রতিবাদে উদ্ভূত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এ সকল ইস্যুতে রোববার (৩ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টায় সিবিএ কার্যলয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বন্দরের কর্মচারীরা।
এসময় বক্তব্য রাখেন সিবিএ’র সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম পল্টু, কর্মচারী নেতা ফরহাদ হোসেন, মনিরুজ্জামান প্রমুখ। এ সময় কর্মচারী সংঘের নেতারা অভিযোগ করেন—গত বছর ৮ আগস্ট কর্মচারী সংঘের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন করতে আঞ্চলিক শ্রম অধিদপ্তর এডহক কমিটি ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির অনুমোদন প্রদান করে।
এডহক কমিটির ৪৫ দিনের মধ্যে কর্মচারী সংঘের নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা থাকলেও এডহক কমিটির আহ্বায়ক (মবক কর্মচারী) মতিউর রহমান সাকিব ও সদস্য সচিব মোঃ আসিফ নাইম বিভিন্ন মামলা মোকাদ্দমা দায়ের সহ নানা চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। এতে কর্মচারী সংঘের নির্বাচন না হওয়ায় একদিকে যেমন মবক-এর ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারছে না, অন্যদিকে নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায় কর্মচারীরা তাদের ন্যায়সংগত দাবি ও অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এছাড়া কর্মচারী সংঘের ব্যাংক হিসাব থেকে এডহক কমিটি অবৈধ অর্থ উত্তোলন করে তছরুপ করছেন। এ সকল অনিয়মের বিষয়ে প্রতিবাদ করায় কর্মচারী সংঘের সাবেক নেতা সহ বন্দর ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বে থাকা উর্ধ্বতন পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি করা হচ্ছে।
এছাড়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন এমন সম্ভাব্য প্রার্থীকে কর্মচারী সংঘের সদস্যপদ বাতিল করার অভিযোগ এডহক কমিটির বিরুদ্ধে রয়েছে। এ অবস্থায় এডহক কমিটি অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণসহ দ্রুত নির্বাচনের দাবি করছে বন্দরের কর্মচারীরা। অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশে প্রায় তিন শতাধিক বন্দর কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে এডহক কমিটির আহ্বায়ক (মবক কর্মচারী) মতিউর রহমান সাকিব নানা অনিয়মের বিষয় অস্বীকার করে বলেন, আইনী জটিলতা সহ নানা কারণে সিবিএ’র নির্বাচন বিলম্বিত হচ্ছে। আর সংঘের ব্যাংক হিসাব থেকে কত পরিমাণ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
































