ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সামাজিক ব্যবসার শক্তি বিশ্ব পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫
  • / 354

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস

সামাজিক ব্যবসা (সোশ্যাল বিজনেস) কেবল বাংলাদেশ নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, “বিশ্বের প্রতিটি মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার সবচেয়ে কার্যকর ও টেকসই উপায় হলো সামাজিক ব্যবসা। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতের চ্যালেঞ্জগুলো কার্যকরভাবে মোকাবেলা সম্ভব।”

শুক্রবার (২৭ জুন) সাভারের জিরাবোতে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘সোশ্যাল বিজনেস ডে ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সামাজিক ব্যবসা সর্বোত্তম পন্থা’।

ড. ইউনূস জানান, সামাজিক ব্যবসা একাধারে মানবিক, টেকসই এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণে সহায়ক। উন্নয়নশীল ও উন্নত— উভয় দেশেই এ ধারণা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

উদ্বোধনী আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সরকারের সিনিয়র কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা।

এ বছর সম্মেলনে বিশ্বের ৩৮টি দেশ থেকে এক হাজার ৪০০ জনের বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সামাজিক ব্যবসার শক্তি বিশ্ব পরিবর্তনের ক্ষমতা রাখে

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৯:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ জুন ২০২৫

সামাজিক ব্যবসা (সোশ্যাল বিজনেস) কেবল বাংলাদেশ নয়, বরং সমগ্র বিশ্বের পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, “বিশ্বের প্রতিটি মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার সবচেয়ে কার্যকর ও টেকসই উপায় হলো সামাজিক ব্যবসা। এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যখাতের চ্যালেঞ্জগুলো কার্যকরভাবে মোকাবেলা সম্ভব।”

শুক্রবার (২৭ জুন) সাভারের জিরাবোতে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘সোশ্যাল বিজনেস ডে ২০২৫’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— ‘সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সামাজিক ব্যবসা সর্বোত্তম পন্থা’।

ড. ইউনূস জানান, সামাজিক ব্যবসা একাধারে মানবিক, টেকসই এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণে সহায়ক। উন্নয়নশীল ও উন্নত— উভয় দেশেই এ ধারণা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

উদ্বোধনী আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, সরকারের সিনিয়র কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিরা।

এ বছর সম্মেলনে বিশ্বের ৩৮টি দেশ থেকে এক হাজার ৪০০ জনের বেশি প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।