ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাবেক রেলমন্ত্রীর ছেলেসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজবাড়ী
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 59

রাজবাড়ী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রী জিল্লুল হাকিমের ছেলে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আশিক মাহমুদ ওরফে মিতুল হাকিমসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা আমলী আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসীন হাসান এ আদেশ দেন।

অভিযুক্তরা হলেন- সাবেক রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিমের ছেলে আশিক মাহমুদ ওরফে মিতুল হাকিম, মাগুরাডাঙ্গি গ্রামের দীনিব কুন্ডুর ছেলে দীপক কুন্ডু, রঘুনাথপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে ফারুক সরদার, মৈশালা গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে শফিক ও রঘুনাথপুর গ্রামের ঝন্টু সরদারের ছেলে জুয়েলসহ মোট ২৯ জনের।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাবেক রেলপথ মন্ত্রী জিল্লুল হাকিমের ছেলে মিতুল হাকিমের নেতৃত্বে ২০১৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর মামলার বাদির কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করা হয়। চাঁদার টাকা না পেয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর তার বসতবাড়িতে প্রবেশ করে ককটেল ফাটিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে এবং তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা দাবি করে। তখন প্রাণভয়ে তাদেরকে ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। পরে চাঁদার বাকি ৫ লক্ষ টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিল আসামিরা।

বাদী পক্ষের আইনজীবী রাজবাড়ী আদালতের অ্যাড. একেএম শহিদুজ্জামান ও অ্যাড. জাহিদ উদ্দিন মোল্লা বলেন, মামলায় ৩১ জনকে আসামি করা হয়। পিবিআই তদন্ত করে ২ জনকে অব্যাহতি দিয়ে ২৯ জনের নামে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। বিজ্ঞ বিচারক ওই ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বিগত ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ীর পাংশা আমলী আদালতে ৩১ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন পাংশা পৌরসভার মাগুরাডাঙ্গি গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে সুমন খন্দকার। মামলাটির তদন্ত শেষে ফরিদপুর পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সুনীল কুমার কর্মকার তদন্ত শেষে কুড়াপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে সাকিব, চশন চন্দ্র দাসের ছেলে সুজিৎ চন্দ্র দাসকে অব্যাহতি দিয়ে ২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সাবেক রেলমন্ত্রীর ছেলেসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩২:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজবাড়ী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও রেলপথ মন্ত্রী জিল্লুল হাকিমের ছেলে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আশিক মাহমুদ ওরফে মিতুল হাকিমসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আদেশ দিয়েছে আদালত। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজবাড়ীর পাংশা আমলী আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসীন হাসান এ আদেশ দেন।

অভিযুক্তরা হলেন- সাবেক রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিমের ছেলে আশিক মাহমুদ ওরফে মিতুল হাকিম, মাগুরাডাঙ্গি গ্রামের দীনিব কুন্ডুর ছেলে দীপক কুন্ডু, রঘুনাথপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে ফারুক সরদার, মৈশালা গ্রামের আহমদ আলীর ছেলে শফিক ও রঘুনাথপুর গ্রামের ঝন্টু সরদারের ছেলে জুয়েলসহ মোট ২৯ জনের।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সাবেক রেলপথ মন্ত্রী জিল্লুল হাকিমের ছেলে মিতুল হাকিমের নেতৃত্বে ২০১৮ সালের ২৫ ডিসেম্বর মামলার বাদির কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করা হয়। চাঁদার টাকা না পেয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর তার বসতবাড়িতে প্রবেশ করে ককটেল ফাটিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে এবং তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে টাকা দাবি করে। তখন প্রাণভয়ে তাদেরকে ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করা হয়। পরে চাঁদার বাকি ৫ লক্ষ টাকার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিল আসামিরা।

বাদী পক্ষের আইনজীবী রাজবাড়ী আদালতের অ্যাড. একেএম শহিদুজ্জামান ও অ্যাড. জাহিদ উদ্দিন মোল্লা বলেন, মামলায় ৩১ জনকে আসামি করা হয়। পিবিআই তদন্ত করে ২ জনকে অব্যাহতি দিয়ে ২৯ জনের নামে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। বিজ্ঞ বিচারক ওই ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বিগত ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাজবাড়ীর পাংশা আমলী আদালতে ৩১ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন পাংশা পৌরসভার মাগুরাডাঙ্গি গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে সুমন খন্দকার। মামলাটির তদন্ত শেষে ফরিদপুর পিবিআইয়ের পুলিশ পরিদর্শক সুনীল কুমার কর্মকার তদন্ত শেষে কুড়াপাড়া গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে সাকিব, চশন চন্দ্র দাসের ছেলে সুজিৎ চন্দ্র দাসকে অব্যাহতি দিয়ে ২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।