সাদিক কায়েমের মামলায় বাকস্বাধীনতার হরণ: ছাত্রদল
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪০:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 122
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম ফেসবুকের কয়েকটি আইডি ও পেজের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা করায় মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং মামলাটি প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করার আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে ছাত্রদল জানায়, সাদিক কায়েম যে মামলা করেছেন তা বানোয়াট ও হয়রানিমূলক। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তিনি মতপ্রকাশ দমনের যে রাজনৈতিক কৌশল অতীতে প্রচলিত ছিল, সেটিই অনুসরণ করছেন। অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মিম বা ট্রল পেজ পর্যন্ত তাঁর মামলার অন্তর্ভুক্ত হওয়া অসহিষ্ণুতার উদাহরণ বলে মন্তব্য করে ছাত্রদল।
ছাত্রদলের ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার পুরোনো সাইবার আইন বাতিল করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পথ খুলে দিয়েছে। এখনকার সাইবার সুরক্ষা আইনে মানহানি সংক্রান্ত মামলা করার সুযোগ নেই। কিন্তু এসব নিয়ম উপেক্ষা করে সাদিক কায়েম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আইনের অপব্যবহার করছেন বলে ছাত্রদলের অভিযোগ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাঁর অভিযোগ কোনোভাবেই ফৌজদারি অপরাধের সংজ্ঞায় পড়ে না। বরং মিথ্যা মামলা করার ক্ষেত্রে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের ২৮ ধারায় অভিযোগকারী নিজেই শাস্তিযোগ্য। ছাত্রদল দাবি করে, অতীতেও সাদিক কায়েম রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছেন এবং তাঁর অনুসারীরা অনলাইনে নারীদের অপমান ও ভিন্নমতের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে।
সংগঠনটির মতে, ডাকসুর মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কোনো ছাত্রনেতার পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা দায়ের করা অত্যন্ত দুঃখজনক ও নজিরবিহীন। এতে ভিপি পদ মর্যাদা হারিয়েছে এবং ব্যক্তিগত বিরোধ মেটাতে তিনি মতপ্রকাশের অধিকারকে অবহেলা করেছেন।
ছাত্রদল নেতৃত্ব দ্রুত মামলা প্রত্যাহার এবং শিক্ষার্থীদের কাছে ব্যক্তিগতভাবে দুঃখ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে।
































