ঢাকা ০২:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক দেখে পালালেন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক, পিরোজপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 88

সাংবাদিক দেখে পালালেন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার সাপলেজা ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে জমি নামজারি ও বিভিন্ন কাজে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি নিয়মিত ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করেন না। নামজারির সরকারি ফি ১১৭০ টাকা হলেও তার দাবি ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। অফিসে সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে—নামজারি অনুমোদনের পর ১১০০ টাকা অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে চিত্র ভিন্ন; অর্থের বিনিময়ে যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রতিবেদন তৈরি করছেন তিনি। ফলে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা সরেজমিনে গেলে, তাদের সামনেই তিমির কান্তি হালদার হঠাৎ অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে তার মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা যায়নি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তিনি নিয়মিত অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে কোনো নথি সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করেন না। ফলে জমি সংক্রান্ত কাজে সাধারণ মানুষ জটিলতায় পড়ছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র মিস্ত্রি বলেন, “আমাকে না জানিয়েই তিমির বাবু অফিস ছেড়ে চলে গেছেন। সম্ভবত সাংবাদিকদের দেখেই তিনি পালান।”

মঠবাড়িয়া সহকারী ভূমি কমিশনার রাইসুল ইসলাম জানান, তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ওঠায় তার দুটি ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয়েছে এবং পদোন্নতি স্থগিত রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সাংবাদিক দেখে পালালেন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার সাপলেজা ইউনিয়ন উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে জমি নামজারি ও বিভিন্ন কাজে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, তিনি নিয়মিত ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ করেন না। নামজারির সরকারি ফি ১১৭০ টাকা হলেও তার দাবি ৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। অফিসে সাইনবোর্ডে লেখা রয়েছে—নামজারি অনুমোদনের পর ১১০০ টাকা অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে। কিন্তু বাস্তবে চিত্র ভিন্ন; অর্থের বিনিময়ে যাচাই-বাছাই ছাড়াই প্রতিবেদন তৈরি করছেন তিনি। ফলে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

অভিযোগের ভিত্তিতে সাংবাদিকরা সরেজমিনে গেলে, তাদের সামনেই তিমির কান্তি হালদার হঠাৎ অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে তার মোবাইল ফোনেও যোগাযোগ করা যায়নি।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তিনি নিয়মিত অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে কোনো নথি সঠিকভাবে প্রক্রিয়াজাত করেন না। ফলে জমি সংক্রান্ত কাজে সাধারণ মানুষ জটিলতায় পড়ছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র মিস্ত্রি বলেন, “আমাকে না জানিয়েই তিমির বাবু অফিস ছেড়ে চলে গেছেন। সম্ভবত সাংবাদিকদের দেখেই তিনি পালান।”

মঠবাড়িয়া সহকারী ভূমি কমিশনার রাইসুল ইসলাম জানান, তিমির কান্তি হালদারের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ওঠায় তার দুটি ইনক্রিমেন্ট বাতিল করা হয়েছে এবং পদোন্নতি স্থগিত রয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।