ঢাকা ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সঞ্চয়পত্রে সীমা তুলে বন্ড বাজার চাঙ্গা করতে চায় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 11

সরকার সঞ্চয়পত্র কেনাবেচায় নতুন নীতিগত সিদ্ধান্তের পথে এগোচ্ছে, যার অংশ হিসেবে সঞ্চয়পত্র কেনার ওপর বর্তমান সীমা তুলে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ‘বন্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিকমেনডেশন’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সঞ্চয়পত্র ও বন্ড বাজারকে আরও কার্যকর ও বিনিয়োগবান্ধব করতে সরকার নতুন ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।

অর্থসচিবের মতে, সঞ্চয়পত্র কেনায় সীমা তুলে দেওয়া হলে সাধারণ মানুষ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়বে, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে।

সেমিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বন্ড লেনদেন প্রক্রিয়া সহজ করা গেলে দেশের বন্ড বাজারের পরিধি ৬ ট্রিলিয়ন টাকা পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।

তিনি বলেন, বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যতে শুধু ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভর করে টিকে থাকতে পারবে না। তাদের জন্য বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বন্ড বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি হয়ে উঠবে।

গভর্নর আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সুদের হার নির্ধারণের নীতির ওপর বন্ড বাজারের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভরশীল। একক সুদের হার কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা গেলে এই বাজার আরও টেকসই হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঞ্চয়পত্রে সীমা তুলে দেওয়া এবং বন্ড বাজারকে গতিশীল করার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনৈতিক বাজারে বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। এতে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ ব্যবস্থাপনা সহজ হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সঞ্চয়পত্রে সীমা তুলে বন্ড বাজার চাঙ্গা করতে চায় সরকার

সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

সরকার সঞ্চয়পত্র কেনাবেচায় নতুন নীতিগত সিদ্ধান্তের পথে এগোচ্ছে, যার অংশ হিসেবে সঞ্চয়পত্র কেনার ওপর বর্তমান সীমা তুলে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ‘বন্ড মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ: চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড রিকমেনডেশন’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সঞ্চয়পত্র ও বন্ড বাজারকে আরও কার্যকর ও বিনিয়োগবান্ধব করতে সরকার নতুন ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে।

অর্থসচিবের মতে, সঞ্চয়পত্র কেনায় সীমা তুলে দেওয়া হলে সাধারণ মানুষ ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়বে, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে।

সেমিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, বন্ড লেনদেন প্রক্রিয়া সহজ করা গেলে দেশের বন্ড বাজারের পরিধি ৬ ট্রিলিয়ন টাকা পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব।

তিনি বলেন, বড় বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো ভবিষ্যতে শুধু ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভর করে টিকে থাকতে পারবে না। তাদের জন্য বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বন্ড বাজারে সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি হয়ে উঠবে।

গভর্নর আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও সুদের হার নির্ধারণের নীতির ওপর বন্ড বাজারের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভরশীল। একক সুদের হার কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা গেলে এই বাজার আরও টেকসই হবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঞ্চয়পত্রে সীমা তুলে দেওয়া এবং বন্ড বাজারকে গতিশীল করার উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনৈতিক বাজারে বিনিয়োগের নতুন সুযোগ তৈরি হবে। এতে সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ ব্যবস্থাপনা সহজ হবে এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।