ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংস্কারের কথা সবার আগে আমরাই বলেছি : মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • / 248

সংস্কারের কথা সবার আগে আমরাই বলেছি : মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “সংস্কারের কথা সবার আগে আমরাই বলেছি।” মঙ্গলবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ : ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালে খালেদা জিয়ার ঘোষিত ভিশন ২০৩০-এ প্রথম সংস্কারের প্রস্তাব আসে। এরপর ২০২২ সালে একাধিক রাজনৈতিক দল একত্রে ২৭ দফা উপস্থাপন করে, যা পরে ৩১ দফায় রূপ নেয়। “আজ কেউ কেউ বলছেন, বিএনপি সংস্কার মানে না—এটা রাজনৈতিকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা,” বলেন ফখরুল।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণ, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক সংস্কার—সবই ছিল আমাদের দফায়। অথচ এখন প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে, বিএনপি নাকি সংস্কার চায় না।”

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, “আমরা মাঠে ছিলাম, নদী সাঁতরে পার হয়েছি, আমাদের ছেলেরা গুলিতে মারা গেছে—তরুণদের বলেছি, ‘কে আছো জোয়ান, হও আগুয়ান’। তারাই এই পরিবর্তন এনেছে। এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ।”

অনুষ্ঠানে গুম-নিহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমেদ, রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া মাহমুদুর রহমান মান্না, মোস্তফা জামাল হায়দার, আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকী, সাইফুল হক, রাশেদ খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, আবদুল হাই শিকদার, আনোয়ার আলদীন, অধ্যাপক শামসুল আলম, প্রকৌশলী মোস্তফা-ই জামান সেলিমসহ বিশিষ্টজন ও কয়েক হাজার নেতাকর্মী।

অনুষ্ঠান শেষে গুম-খুন-বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের দাবি আবারও তোলেন নেতারা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সংস্কারের কথা সবার আগে আমরাই বলেছি : মির্জা ফখরুল

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “সংস্কারের কথা সবার আগে আমরাই বলেছি।” মঙ্গলবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিএনপি আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪ : ঐক্য ও গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালে খালেদা জিয়ার ঘোষিত ভিশন ২০৩০-এ প্রথম সংস্কারের প্রস্তাব আসে। এরপর ২০২২ সালে একাধিক রাজনৈতিক দল একত্রে ২৭ দফা উপস্থাপন করে, যা পরে ৩১ দফায় রূপ নেয়। “আজ কেউ কেউ বলছেন, বিএনপি সংস্কার মানে না—এটা রাজনৈতিকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা,” বলেন ফখরুল।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণ, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ, রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য, বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক সংস্কার—সবই ছিল আমাদের দফায়। অথচ এখন প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে, বিএনপি নাকি সংস্কার চায় না।”

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, “আমরা মাঠে ছিলাম, নদী সাঁতরে পার হয়েছি, আমাদের ছেলেরা গুলিতে মারা গেছে—তরুণদের বলেছি, ‘কে আছো জোয়ান, হও আগুয়ান’। তারাই এই পরিবর্তন এনেছে। এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ।”

অনুষ্ঠানে গুম-নিহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমেদ, রুহুল কবির রিজভী। এছাড়া মাহমুদুর রহমান মান্না, মোস্তফা জামাল হায়দার, আন্দালিব রহমান পার্থ, জোনায়েদ সাকী, সাইফুল হক, রাশেদ খানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, আবদুল হাই শিকদার, আনোয়ার আলদীন, অধ্যাপক শামসুল আলম, প্রকৌশলী মোস্তফা-ই জামান সেলিমসহ বিশিষ্টজন ও কয়েক হাজার নেতাকর্মী।

অনুষ্ঠান শেষে গুম-খুন-বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার পরিবারগুলোর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুনর্বাসনের দাবি আবারও তোলেন নেতারা।