সংলাপ থেকে বের করে দেওয়া হলো ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশকে
- সর্বশেষ আপডেট ০২:১১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
- / 84
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে সংলাপে অংশ নিতে গিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে ইসলামী ঐক্যজোটের একটি অংশকে সভাকক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ইসির সম্মেলন কক্ষে সংলাপ শুরুর ঠিক আগে এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।
সংলাপের সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন, নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য চার কমিশনার এবং ছয়টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
ঘটনার সূত্রপাত হয় যখন মহাসচিব মুফতি সাখাওয়াত হোসেন রাজির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল সংলাপকক্ষে প্রবেশ করে দেখে যে আগেই উপস্থিত আছেন হাসানাত আমিনীর নেতৃত্বাধীন অন্য অংশের নেতারা। সাখাওয়াত হোসেন রাজি অভিযোগ তোলেন যে আমিনীর অংশ অতীত নির্বাচনে ‘ফ্যাসিবাদকে বৈধতা’ দিয়েছে, তাই তারা একই টেবিলে সংলাপে বসতে চান না।
এরপর ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উভয় পক্ষের আমন্ত্রণপত্র যাচাই করতে চান। রাজির অংশ কাগজে ছাপানো হার্ডকপি দেখাতে সক্ষম হলেও আমিনীর প্রতিনিধিরা মোবাইলে সংরক্ষিত আমন্ত্রণপত্র দেখান। সচিব স্পষ্টভাবে জানান, “হার্ডকপি ছাড়া সংলাপে থাকা যাবে না।” বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হওয়ায় আমিনীর অংশকে সংলাপকক্ষ ছাড়তে বাধ্য করা হয়।
বের হয়ে যাওয়া অংশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আলতাফ হোসেন অভিযোগ করেন, ইসি পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার দাবি, দলের আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন তাদের অংশের নামে এবং আমন্ত্রণপত্রও তাদের উদ্দেশেই দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ‘ব্ল্যাকমেল’ করে অন্য পক্ষ সেই চিঠি সংগ্রহ করেছে।
সংলাপের শুরুতে সিইসি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। তিনি জানান যে আচরণবিধি মেনে চললে সংলাপ ও নির্বাচন প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য হবে এবং দলগুলোও এই আচরণবিধি প্রচারে ভূমিকা রাখতে পারে।
সকালের সংলাপে অংশ নেয় গণফোরাম, গণফ্রন্ট, ইসলামী ঐক্যফ্রন্ট বাংলাদেশ, ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি) এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি।































