ঢাকা ০২:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শ্বশুরের সেপটিক ট্যাঙ্কে জামাইয়ের লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৬:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 89

শ্বশুরের সেপটিক ট্যাঙ্কে জামাইয়ের লাশ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে করিম ভূঁইয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় তার তিন ভাই মিলে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার পর লাশ শ্বশুরবাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে রাখা হয়।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার আমলী আদালতে স্ত্রী তাছলিমা ও তার ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হক হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। রবিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দেবিদ্বার থানার ওসি সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ।

পুলিশ জানায়, করিম ভূঁইয়া গত ১৩ আগস্ট নিখোঁজ হওয়ার পর এক মাস পাঁচ দিন পর ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের শ্বশুরবাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তার গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত করিম ওই উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মৃত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে।

তদন্তে বেরিয়ে আসে, পারিবারিক কলহের জেরে করিমকে হত্যার পরিকল্পনা করেন স্ত্রী। তার নির্দেশে তিন ভাই মাদক সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে করিমকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নেয়। সেখানে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়।

ঘটনার পর লাশ গোপন করতে প্রথমে খালে ফেলা হয়। কিন্তু ভেসে ওঠায় আবার তুলেও আনা হয়। পরে হাত-পা বেঁধে শ্বশুরবাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়।

নিহতের বড় ভাই আমির হোসেন বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশের নজরদারি ও গ্রেপ্তারের পর আসামিরা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শ্বশুরের সেপটিক ট্যাঙ্কে জামাইয়ের লাশ

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৬:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুমিল্লার দেবিদ্বারে করিম ভূঁইয়া হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। স্ত্রী তাছলিমা বেগমের পরিকল্পনায় তার তিন ভাই মিলে হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করার পর লাশ শ্বশুরবাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে রাখা হয়।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার আমলী আদালতে স্ত্রী তাছলিমা ও তার ভাই ইসরাফিল, গোলাম হাক্কানী ও মোজাম্মেল হক হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। রবিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দেবিদ্বার থানার ওসি সামছুদ্দিন মোহাম্মদ ইলিয়াছ।

পুলিশ জানায়, করিম ভূঁইয়া গত ১৩ আগস্ট নিখোঁজ হওয়ার পর এক মাস পাঁচ দিন পর ১৭ সেপ্টেম্বর উপজেলার রসুলপুর গ্রামের শ্বশুরবাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তার গলিত লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত করিম ওই উপজেলার বড়শালঘর গ্রামের মৃত আবুল কাশেম ভূঁইয়ার ছেলে।

তদন্তে বেরিয়ে আসে, পারিবারিক কলহের জেরে করিমকে হত্যার পরিকল্পনা করেন স্ত্রী। তার নির্দেশে তিন ভাই মাদক সেবনের প্রলোভন দেখিয়ে করিমকে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নেয়। সেখানে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়।

ঘটনার পর লাশ গোপন করতে প্রথমে খালে ফেলা হয়। কিন্তু ভেসে ওঠায় আবার তুলেও আনা হয়। পরে হাত-পা বেঁধে শ্বশুরবাড়ির টয়লেটের সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়।

নিহতের বড় ভাই আমির হোসেন বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশের নজরদারি ও গ্রেপ্তারের পর আসামিরা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।