ঢাকা ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শোকজের জবাব দিলেন ফজলুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 112

ফজলুর রহমান

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কাউন্সিল সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান দলের কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব দিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর কাছে লিখিত জবাব জমা দেন।

২৪ আগস্ট রাতে নোটিশ পান এবং ২৪ ঘণ্টা সময় বৃদ্ধি মঞ্জুর হওয়ায় তিনি তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নোটিশে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তিনি বিকেল সাড়ে ৩টায় দলীয় কার্যালয়ে জবাব জমা দিয়েছেন।

ফজলুর রহমান উল্লেখ করেছেন, তিনি কখনো কুরুচিপূর্ণ বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেননি। বরং জুলাই–আগস্টের শহীদদের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছেন। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাইদ হত্যাকাণ্ডের পর তিনি প্রথম তাকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি একজন দৃঢ় বিশ্বাসী মুসলমান এবং ইসলাম ও আল্লাহর প্রতি অটল আস্থা রাখেন। তবে তিনি রাজনৈতিকভাবে জামায়াতসহ ধর্মের ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সবসময় বক্তব্য রেখেছেন।

তিনি আরও জানান, কোটা আন্দোলন থেকে শুরু করে ছাত্রদের গণতন্ত্রের আন্দোলনে উৎসাহ দিয়েছেন এবং জুলাই আন্দোলন ও বিএনপির দীর্ঘ সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। জামায়াত-শিবিরের ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা এবং মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকারের প্রবণতার বিরুদ্ধেও নিয়মিত বক্তব্য রেখেছেন।

ফজলুর রহমান দাবি করেন, দলের ক্ষতি হতে পারে এমন কোনো কাজ তিনি করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। তিনি বিএনপির নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন এবং দলের স্বার্থে সব সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শোকজের জবাব দিলেন ফজলুর রহমান

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৪:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫

বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও কাউন্সিল সদস্য অ্যাডভোকেট মো. ফজলুর রহমান দলের কারণ দর্শানো নোটিশের জবাব দিয়েছেন। তিনি মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর কাছে লিখিত জবাব জমা দেন।

২৪ আগস্ট রাতে নোটিশ পান এবং ২৪ ঘণ্টা সময় বৃদ্ধি মঞ্জুর হওয়ায় তিনি তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। নোটিশে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী তিনি বিকেল সাড়ে ৩টায় দলীয় কার্যালয়ে জবাব জমা দিয়েছেন।

ফজলুর রহমান উল্লেখ করেছেন, তিনি কখনো কুরুচিপূর্ণ বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেননি। বরং জুলাই–আগস্টের শহীদদের প্রতি সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছেন। ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাইদ হত্যাকাণ্ডের পর তিনি প্রথম তাকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি একজন দৃঢ় বিশ্বাসী মুসলমান এবং ইসলাম ও আল্লাহর প্রতি অটল আস্থা রাখেন। তবে তিনি রাজনৈতিকভাবে জামায়াতসহ ধর্মের ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সবসময় বক্তব্য রেখেছেন।

তিনি আরও জানান, কোটা আন্দোলন থেকে শুরু করে ছাত্রদের গণতন্ত্রের আন্দোলনে উৎসাহ দিয়েছেন এবং জুলাই আন্দোলন ও বিএনপির দীর্ঘ সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। জামায়াত-শিবিরের ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা এবং মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকারের প্রবণতার বিরুদ্ধেও নিয়মিত বক্তব্য রেখেছেন।

ফজলুর রহমান দাবি করেন, দলের ক্ষতি হতে পারে এমন কোনো কাজ তিনি করেননি এবং ভবিষ্যতেও করবেন না। তিনি বিএনপির নেতৃত্বের ওপর পূর্ণ আস্থা রাখেন এবং দলের স্বার্থে সব সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন।