ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / 108

শেখ হাসিনার প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর

২০০৯ সালের বিডিআর ট্র্যাজেডি, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর গণহত্যা এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণহত্যার ঘটনার জন্য দায়ী হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর করেছে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি আয়োজন করে ‘জাগ্রত জুলাই’ এবং ‘জুলাই ঐক্য’ নামের দুটি প্ল্যাটফর্ম। উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, ছাত্র সংগঠক ও সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।

প্রতীকী রায় ঘোষণার দায়িত্বে ছিলেন জাগ্রত জুলাইয়ের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট তানজিনা ফেরদাউস। রায় কার্যকরের আগে অভিযুক্তের ‘শারীরিক অবস্থা’ পরীক্ষার প্রতীকী উপস্থাপনায় ছিলেন রায়হান মাদ্রাজী। ফাঁসি কার্যকরে জল্লাদের ভূমিকায় ছিলেন আলিফ জাওফি। কালেমা পাঠ করান মোস্তফা হোসাইন এবং পুরো মঞ্চায়নের তত্ত্বাবধানে ছিলেন আজিজ সাইফুল্লাহ। সভাপতিত্ব করেন কবি মুন্সি বোরহান মাহমুদ, যিনি জাগ্রত জুলাইয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, “শেখ হাসিনার প্রতীকী ফাঁসি আজ আমরা কার্যকর করলাম। আমরা চাই এটি যেন প্রতীকীতেই সীমাবদ্ধ না থাকে। দেশের আইন-আদালতের দীর্ঘসূত্রিতা আমাদের জানা আছে। কিন্তু এবার যেন ব্যতিক্রম হয়।”

তাদের দাবি, আগামী এক বছরের মধ্যে সকল বিচারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০২৬ সালের ৩৬ জুলাই, গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির আগেই শেখ হাসিনাসহ সকল ‘গণহত্যার পরিকল্পনাকারীর’ দণ্ড কার্যকর করতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শেখ হাসিনার প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর

সর্বশেষ আপডেট ০২:০৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

২০০৯ সালের বিডিআর ট্র্যাজেডি, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর গণহত্যা এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণহত্যার ঘটনার জন্য দায়ী হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতীকী ফাঁসি কার্যকর করেছে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি আয়োজন করে ‘জাগ্রত জুলাই’ এবং ‘জুলাই ঐক্য’ নামের দুটি প্ল্যাটফর্ম। উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক সেনা কর্মকর্তা, ছাত্র সংগঠক ও সাংবাদিকসহ নানা শ্রেণিপেশার মানুষ।

প্রতীকী রায় ঘোষণার দায়িত্বে ছিলেন জাগ্রত জুলাইয়ের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট তানজিনা ফেরদাউস। রায় কার্যকরের আগে অভিযুক্তের ‘শারীরিক অবস্থা’ পরীক্ষার প্রতীকী উপস্থাপনায় ছিলেন রায়হান মাদ্রাজী। ফাঁসি কার্যকরে জল্লাদের ভূমিকায় ছিলেন আলিফ জাওফি। কালেমা পাঠ করান মোস্তফা হোসাইন এবং পুরো মঞ্চায়নের তত্ত্বাবধানে ছিলেন আজিজ সাইফুল্লাহ। সভাপতিত্ব করেন কবি মুন্সি বোরহান মাহমুদ, যিনি জাগ্রত জুলাইয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, “শেখ হাসিনার প্রতীকী ফাঁসি আজ আমরা কার্যকর করলাম। আমরা চাই এটি যেন প্রতীকীতেই সীমাবদ্ধ না থাকে। দেশের আইন-আদালতের দীর্ঘসূত্রিতা আমাদের জানা আছে। কিন্তু এবার যেন ব্যতিক্রম হয়।”

তাদের দাবি, আগামী এক বছরের মধ্যে সকল বিচারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০২৬ সালের ৩৬ জুলাই, গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির আগেই শেখ হাসিনাসহ সকল ‘গণহত্যার পরিকল্পনাকারীর’ দণ্ড কার্যকর করতে হবে।