ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার অপরাধ প্রমাণিত : ট্রাইব্যুনাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / 101

শেখ হাসিনার অপরাধ প্রমাণিত : ট্রাইব্যুনাল

জুলাই–আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায়  ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মামলার রায় পড়া শুরু হয়। ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায় ছয়টি অংশে বিভক্ত। ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করছেন। অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায়ের শেষ অংশ পাঠ করছেন চেয়ারম্যান গোলাম মর্তূজা মজুমদার। শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির সর্বোচ্চ দণ্ডের পক্ষে ও বিপক্ষে উত্থাপিত যুক্তি উপস্থাপন করা হচ্ছে।

রায়ে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনের পটভূমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, এবং পরবর্তী সময়ে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর বর্ণনা উপস্থাপন করা হয়।

এর আগে আদালতে জমা দেওয়া অডিও, ভিডিওসহ বিভিন্ন তথ্য–উপাত্তের বিশদ বিবরণ তুলে ধরা হয়। ঘটনার শিকার ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীদের বক্তব্যও রায়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া জুলাই মাসের গণ–অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন ভিডিওতে পাওয়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা এবং সাভার–আশুলিয়া ছাড়াও রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহারের প্রমাণও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।

মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও অংশ পড়া হয়। বেলা সোয়া একটার দিকে গণ–অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোন আলাপ আদালতে শোনানো হয়। এর অল্প আগে তার সঙ্গে সে সময়ের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর ফোনালাপ শোনানো হয়।

রায় ঘোষণার পুরো কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে।

গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম, যার রায় আজ ঘোষণা করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শেখ হাসিনার অপরাধ প্রমাণিত : ট্রাইব্যুনাল

সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৪:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই–আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দায়ের করা মামলায়  ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বলে জানানো হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মামলার রায় পড়া শুরু হয়। ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায় ছয়টি অংশে বিভক্ত। ট্রাইব্যুনাল-১–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা করছেন। অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায়ের শেষ অংশ পাঠ করছেন চেয়ারম্যান গোলাম মর্তূজা মজুমদার। শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির সর্বোচ্চ দণ্ডের পক্ষে ও বিপক্ষে উত্থাপিত যুক্তি উপস্থাপন করা হচ্ছে।

রায়ে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার বিভিন্ন বক্তব্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনের পটভূমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, এবং পরবর্তী সময়ে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর বর্ণনা উপস্থাপন করা হয়।

এর আগে আদালতে জমা দেওয়া অডিও, ভিডিওসহ বিভিন্ন তথ্য–উপাত্তের বিশদ বিবরণ তুলে ধরা হয়। ঘটনার শিকার ও প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীদের বক্তব্যও রায়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া জুলাই মাসের গণ–অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন ভিডিওতে পাওয়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা এবং সাভার–আশুলিয়া ছাড়াও রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে প্রাণঘাতী গুলি ব্যবহারের প্রমাণও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়।

মানবাধিকার লঙ্ঘন সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকেও অংশ পড়া হয়। বেলা সোয়া একটার দিকে গণ–অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোন আলাপ আদালতে শোনানো হয়। এর অল্প আগে তার সঙ্গে সে সময়ের তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর ফোনালাপ শোনানো হয়।

রায় ঘোষণার পুরো কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছে।

গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম, যার রায় আজ ঘোষণা করা হচ্ছে।