ঢাকা ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শুধু হাসিনার নয় লকারে ছিল রেহানা-জয় ও পুতুলের স্বর্ণ

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 71

শুধু হাসিনার নয় লকারে ছিল রেহানা-জয় ও পুতুলের স্বর্ণ

অগ্রণী ব্যাংকের দুটি লকার থেকে উদ্ধার হওয়া ৮৩২ ভরি স্বর্ণালংকার শুধুমাত্র ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়—এগুলোর মালিকানা তার বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গেও সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ভল্টে থাকা নথিপত্র ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে স্বর্ণালংকারগুলো আলাদা চিহ্নযুক্ত। ফলে কোনটি কার ব্যক্তিগত সম্পদ—তা পৃথকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, অনুসন্ধানকারী দল লকারভুক্ত স্বর্ণের ইনভেন্টরি তৈরি করছে এবং ব্যক্তিগত সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হবে। যার যার অংশ নির্ধারণের পর অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অংশ আলাদা করে মূল্যায়ন করা হবে। অন্য অংশগুলো প্রয়োজন হলে ভিন্ন অনুসন্ধানের আওতায় আসতে পারে।

মো. আক্তার হোসেন আরও জানান, জব্দ স্বর্ণ বৈধ আয় দিয়ে অর্জিত কি না—তা সম্পদ বিবরণী ও আয় উৎস যাচাইয়ের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে। কোনো সম্পদের উৎস অস্পষ্ট বা বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্য পাওয়া গেলে তা অবৈধ সম্পদ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

শেখ হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্তের বিষয়ে আদালতের নির্দেশনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনা একটি আলাদা প্রক্রিয়া। দুদক নিজস্ব আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে আদালতের অনুমোদিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।

দুদকের প্রাথমিক ধারণা—লকারের স্বর্ণালংকারগুলো শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা সিদ্দিকী, সাইমা ওয়াজেদ পুতুল, সজীব ওয়াজেদ জয় ও ববি—এদের কারও ব্যক্তিগত সম্পদ হতে পারে। ইনভেন্টরি প্রস্তুত শেষে মালামাল সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের জিম্মায় রাখা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শুধু হাসিনার নয় লকারে ছিল রেহানা-জয় ও পুতুলের স্বর্ণ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

অগ্রণী ব্যাংকের দুটি লকার থেকে উদ্ধার হওয়া ৮৩২ ভরি স্বর্ণালংকার শুধুমাত্র ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয়—এগুলোর মালিকানা তার বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গেও সম্পৃক্ত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, ভল্টে থাকা নথিপত্র ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে দেখা গেছে স্বর্ণালংকারগুলো আলাদা চিহ্নযুক্ত। ফলে কোনটি কার ব্যক্তিগত সম্পদ—তা পৃথকভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, অনুসন্ধানকারী দল লকারভুক্ত স্বর্ণের ইনভেন্টরি তৈরি করছে এবং ব্যক্তিগত সম্পদ বিবরণীর সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখা হবে। যার যার অংশ নির্ধারণের পর অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অংশ আলাদা করে মূল্যায়ন করা হবে। অন্য অংশগুলো প্রয়োজন হলে ভিন্ন অনুসন্ধানের আওতায় আসতে পারে।

মো. আক্তার হোসেন আরও জানান, জব্দ স্বর্ণ বৈধ আয় দিয়ে অর্জিত কি না—তা সম্পদ বিবরণী ও আয় উৎস যাচাইয়ের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে। কোনো সম্পদের উৎস অস্পষ্ট বা বৈধ আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্য পাওয়া গেলে তা অবৈধ সম্পদ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

শেখ হাসিনার সম্পদ বাজেয়াপ্তের বিষয়ে আদালতের নির্দেশনার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশনা একটি আলাদা প্রক্রিয়া। দুদক নিজস্ব আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে আদালতের অনুমোদিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে।

দুদকের প্রাথমিক ধারণা—লকারের স্বর্ণালংকারগুলো শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা সিদ্দিকী, সাইমা ওয়াজেদ পুতুল, সজীব ওয়াজেদ জয় ও ববি—এদের কারও ব্যক্তিগত সম্পদ হতে পারে। ইনভেন্টরি প্রস্তুত শেষে মালামাল সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তাদের জিম্মায় রাখা হয়েছে।