ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনকে গুলি করা দুই শুটার গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 72

শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনকে গুলি করা দুই শুটার গ্রেপ্তার

পুরান ঢাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুনকে হত্যা করার ঘটনায় জড়িত দুই শুটারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রুবেল ও ইব্রাহিম, যারা পেশাগতভাবে শুটার হিসেবে পরিচিত।

ডিবি পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, তারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গত সোমবার (১০ নভেম্বর) পুরান ঢাকার সূত্রাপুর এলাকায় আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে মামুনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত ব্যক্তি পূর্বে তেজগাঁও এলাকায়ও হত্যার চেষ্টা বেঁচেছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামুন ‘ইমন-মামুন’ গ্রুপের শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন এবং একসময় শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, মামুন রাস্তা পার হয়ে নিজের গাড়ির সামনে গেলে আগাম প্রস্তুত দুই অস্ত্রধারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। মোটরসাইকেলে থাকা দুই শুটার প্রায় তিন-চার সেকেন্ডের মধ্যে হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন করেন এবং দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মামুনকে ট্রলিতে করে ন্যাশনাল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তার অবস্থা পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন এবং পরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুনকে গুলি করা দুই শুটার গ্রেপ্তার

সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

পুরান ঢাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী তারিক সাইফ মামুনকে হত্যা করার ঘটনায় জড়িত দুই শুটারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রুবেল ও ইব্রাহিম, যারা পেশাগতভাবে শুটার হিসেবে পরিচিত।

ডিবি পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, তারা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিল। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গত সোমবার (১০ নভেম্বর) পুরান ঢাকার সূত্রাপুর এলাকায় আদালতে হাজিরা দিয়ে ফেরার পথে মামুনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। নিহত ব্যক্তি পূর্বে তেজগাঁও এলাকায়ও হত্যার চেষ্টা বেঁচেছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, মামুন ‘ইমন-মামুন’ গ্রুপের শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলেন এবং একসময় শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের সহযোগী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সিসিটিভি ফুটেজ অনুযায়ী, মামুন রাস্তা পার হয়ে নিজের গাড়ির সামনে গেলে আগাম প্রস্তুত দুই অস্ত্রধারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। মোটরসাইকেলে থাকা দুই শুটার প্রায় তিন-চার সেকেন্ডের মধ্যে হত্যাকাণ্ড সম্পন্ন করেন এবং দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মামুনকে ট্রলিতে করে ন্যাশনাল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তার অবস্থা পরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেন এবং পরে মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।