শিশুশ্রম নিরসনে গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসার আহ্বান
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:১০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৫
- / 167
শিশুশ্রম নিরসনে গণমাধ্যমকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর এক অভিজাত রেস্টুরেন্টে গোলটেবিল বৈঠকে তারা এ অবহ্বান জানিয়েছেন। এটি যৌথভাবে আয়োজন করে অ্যাকশন ফর সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট (এএসডি), এডুকো বাংলাদেশ ও শাপলা নীড় বাংলাদেশ। বৈঠকের বিষয় ছিল ‘শিশুশ্রম নিরসনে গণসচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা: বর্তমান বাস্তবতা ও প্রত্যাশা’।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মোছা শারমিন আক্তার, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মো: আব্দুল ওয়াদুদ, এএসডির নির্বাহী পরিচালক এম এ করিম, এডুকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আব্দুল হামিদ, শাপলা নীড় বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইউমি ইয়াগিশিতা, ইউনিসেফ বাংলাদেশের ফাতেমা খায়রুন্নাহার, বাংলাদেশ শিশু অধিকার ফোরামের পরিচালক খন্দকার রিয়াজ হোসেন, বাংলাদেশ লেবার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন, এসওএস চিলড্রেন ভিলেজের ন্যাশনাল ডিরেক্টর ড. মো. এনামুল হকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

প্রারম্ভে স্বাগত বক্তব্য দেন এএসডির নির্বাহী পরিচালক এম এ করিম। এরপর শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন এডুকো বাংলাদেশের আব্দুল হামিদ ও শাপলা নীড় বাংলাদেশের ইউমি ইয়াগিশিতা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুজজামান ভূঁইয়া শিশুশ্রম নিরসনে গণমাধ্যমের ভূমিকা বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপনা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন এএসডির ইউকেএম ফারহানা সুলতানা ও এডুকো বাংলাদেশের আফজাল কবির খান।
গোলটেবিল আলোচনায় গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও বিশেষজ্ঞরা শিশুশ্রম নিরসনে জনসচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন। তারা বলেন, শিশু শ্রমিকদের সচেতন করা প্রয়োজন, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়গুলো তুলে ধরতে হবে এবং বাজেট বাড়ানোর মাধ্যমে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা উচিত।
শিশু অধিকার লংঘন রোধে সরকার, গণমাধ্যম ও উন্নয়নকর্মী একযোগে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে, গৃহকাজে নিয়োজিত শিশু ও তাদের পরিবারকে সচেতন করার ওপর জোর দেওয়া হয়।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মোছা শারমিন আক্তার বলেন, বাল্যবিয়ে রোধের মতো শিশুশ্রম প্রতিরোধেও গণমাধ্যমের কার্যকর প্রচার প্রয়োজন। শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপ সচিব মো: আব্দুল ওয়াদুদ জানান, গণমাধ্যম শিশু শ্রমের বাস্তবতা তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
আলোচনায় আইএলও, ইউনিসেফসহ শিশু অধিকার ও শিশুশ্রম প্রতিরোধে কাজ করা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও অংশ নেন।






































