ঢাকা ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাবিপ্রবিতে কাটা হচ্ছে শতাধিক গাছ

নিজস্ব প্রতিবেদক, শাবিপ্রবি (সিলেট)
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫
  • / 132

শাবিপ্রবিতে কাটা হচ্ছে শতাধিক গাছ

‘আগুন সৃষ্টিতে সহায়ক’ ও ‘পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর’ বলে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আকাশমণি’র শতাধিক গাছ নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রতিটি গাছের বিপরীতে ১০টি ফলের চাড়া গাছ লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন স্টেট শাখার কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত। তবে গাছ কাটার ক্ষেত্রে সিলেট বনবিভাগের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ১০৭টি কাঠ গাছ দেড় লক্ষ টাকায় নিলাম বিক্রি করা হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত ২২টি কাটা হয়েছে। গত দুই দিন থেকেই এই গাছ কাটা চলমান রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেট শাখার কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে একটি ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেখানেই পুরাতন ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর গাছগুলো কেটে নিলামের সিদ্ধান্ত নেয় হয়।

অধ্যাপক আবুল হাসনাত আরও বলেন, আকাশমণি গাছ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এই গাছের পাতায় এক ধরনের দাহ্য পদার্থযুক্ত তেল থাকে, যা সহজেই আগুন সৃষ্টিতে সহায়ক। গত শীতেও এই গাছের পাতা থেকে সৃষ্ট আগুনে নিউজিল্যান্ড টিলা এবং শহিদ মিনারের পাশে অনেক অংশ পুড়ে গেছে। আমরা অন্তত দশবার আগুন নিভিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডটা বড় করার প্ল্যান আছে। মাঠের পাশে গর্ত ছিল সেখানে মাটি ভরাট করা হচ্ছে। আমরা মাঠের চারপাশে নতুন গাছ লাগাবো শীঘ্রই।

এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ বলেন, এর আগেও শিক্ষার্থীদের অবগত না করে গাছ কেটেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদও জানিয়েছে। যদি ক্ষতিকরও হয় তবুও প্রশাসনের উচিত শিক্ষার্থীদের জানিয়ে এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। নয়তো শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।

সিলেট বন বিভাগের টাউন রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে এই বিষয়ে কোনো কিছু জানায়নি।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শাবিপ্রবিতে কাটা হচ্ছে শতাধিক গাছ

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৫:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

‘আগুন সৃষ্টিতে সহায়ক’ ও ‘পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর’ বলে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘আকাশমণি’র শতাধিক গাছ নিলামের মাধ্যমে বিক্রয় করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রতিটি গাছের বিপরীতে ১০টি ফলের চাড়া গাছ লাগানো হবে বলে জানিয়েছেন স্টেট শাখার কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত। তবে গাছ কাটার ক্ষেত্রে সিলেট বনবিভাগের কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ১০৭টি কাঠ গাছ দেড় লক্ষ টাকায় নিলাম বিক্রি করা হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত ২২টি কাটা হয়েছে। গত দুই দিন থেকেই এই গাছ কাটা চলমান রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেট শাখার কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত বলেন, গাছ কাটার বিষয়ে একটি ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সেখানেই পুরাতন ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর গাছগুলো কেটে নিলামের সিদ্ধান্ত নেয় হয়।

অধ্যাপক আবুল হাসনাত আরও বলেন, আকাশমণি গাছ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর। এই গাছের পাতায় এক ধরনের দাহ্য পদার্থযুক্ত তেল থাকে, যা সহজেই আগুন সৃষ্টিতে সহায়ক। গত শীতেও এই গাছের পাতা থেকে সৃষ্ট আগুনে নিউজিল্যান্ড টিলা এবং শহিদ মিনারের পাশে অনেক অংশ পুড়ে গেছে। আমরা অন্তত দশবার আগুন নিভিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডটা বড় করার প্ল্যান আছে। মাঠের পাশে গর্ত ছিল সেখানে মাটি ভরাট করা হচ্ছে। আমরা মাঠের চারপাশে নতুন গাছ লাগাবো শীঘ্রই।

এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ বলেন, এর আগেও শিক্ষার্থীদের অবগত না করে গাছ কেটেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদও জানিয়েছে। যদি ক্ষতিকরও হয় তবুও প্রশাসনের উচিত শিক্ষার্থীদের জানিয়ে এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। নয়তো শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে।

সিলেট বন বিভাগের টাউন রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদেরকে এই বিষয়ে কোনো কিছু জানায়নি।’