ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করছে সরকার: রেজা কিবরিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 114

শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করছে সরকার: রেজা কিবরিয়া

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, জুলাই–আগস্টের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে বর্তমান সরকার। দেশ পরিচালনায় গুণগত পরিবর্তন দেখার প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু তা হয়নি।

শনিবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও আগামী নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জনতা পার্টি এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, জুলাই–আগস্টের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে এই সরকার। এনজিওরা দেশ চালাবেন; এমন কোন রেকর্ড নেই। যারা ১ হাজার টাকা হালালভাবে উপার্জন করতে পারেননি, তারা এখন ৫০ কোটি টাকা ডিল করছে। শেখ হাসিনার পর সবচেয়ে নিম্নমানের সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তারা এক বছর নষ্ট করেছে। নতুন সরকার আসামাত্র তারা সীমান্ত পেরোবে।

তিনি আরও বলেন, আসিফ নজরুল অর্ধশিক্ষিত, এদের হাতে সংস্কার দেওয়া উচিত নয়। এই সরকার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। এ সরকার অপদার্থ, শেখ হাসিনাকে দেশে আনা অত্যন্ত জরুরি।

রেজা কিবরিয়া বলেন, আমরা সম্ভবত ড. ইউনূসের কাছে বেশি আশা করেছিলাম, কিন্তু দেখলাম, তিনি একটি এনজিও সরকার গঠন করেছেন।

জনতা পার্টি বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আসাদুজ্জামান বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অত্যন্ত জরুরি।

জনতা পার্টির যুগ্ম মহাসচিব মেজর (অব) ইমরান বলেন, ভারত বাংলাদেশের শত্রু; যারা তা চিনতে পারবে, তারাই আসল প্রজন্ম।

জনতা পার্টি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা সালাম বলেন, এই মুহূর্তে নির্বাচন প্রয়োজন নয়, প্রয়োজন শুধু সংস্কার।

বাংলাদেশ জনতা পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এবিএম ওয়ালিউর রহমান খান বলেন, বিএনপির আসন সংখ্যা ৩০০। এরপর বৃহত্তর দল হলো জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ। বিএনপি যত চেষ্টাই করুক, তাদের উদ্দেশ্য সফল হবে না। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলে নির্বাচনের মাঠ তৈরি করার দাবি জানান তিনি।

জাতীয় সংস্কার জোটের আহ্বায়ক মেজর (অব) আমিন আহমেদ আফসারী বলেন, জুলাই আন্দোলনে প্রত্যাশা সব ব্যর্থ হয়েছে। শুধু তাই নয়, শহীদদের সংখ্যা প্রকাশ করতেও সরকার ব্যর্থ। তিনি আরও বলেন, সংস্কারবিহীন নির্বাচন হলে স্বৈরতন্ত্র পুনর্বাসিত হবে এবং শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা হবে।

বাংলাদেশ নিজাম ইসলামী পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা এ.কে. আশরাফুল হক বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে হয়েছিল, ৩৬ জুলাই যারা মূল ভুমিকায় ছিলেন, তাদের সব জায়গা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু করার জন্য যা যা করা প্রয়োজন, বর্তমান সরকার তা অবশ্যই করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করছে সরকার: রেজা কিবরিয়া

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১২:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া বলেছেন, জুলাই–আগস্টের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে বর্তমান সরকার। দেশ পরিচালনায় গুণগত পরিবর্তন দেখার প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু তা হয়নি।

শনিবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও আগামী নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জনতা পার্টি এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

ড. রেজা কিবরিয়া বলেন, জুলাই–আগস্টের শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে এই সরকার। এনজিওরা দেশ চালাবেন; এমন কোন রেকর্ড নেই। যারা ১ হাজার টাকা হালালভাবে উপার্জন করতে পারেননি, তারা এখন ৫০ কোটি টাকা ডিল করছে। শেখ হাসিনার পর সবচেয়ে নিম্নমানের সরকার ক্ষমতায় এসেছে। তারা এক বছর নষ্ট করেছে। নতুন সরকার আসামাত্র তারা সীমান্ত পেরোবে।

তিনি আরও বলেন, আসিফ নজরুল অর্ধশিক্ষিত, এদের হাতে সংস্কার দেওয়া উচিত নয়। এই সরকার নিরপেক্ষতা হারিয়েছে। এ সরকার অপদার্থ, শেখ হাসিনাকে দেশে আনা অত্যন্ত জরুরি।

রেজা কিবরিয়া বলেন, আমরা সম্ভবত ড. ইউনূসের কাছে বেশি আশা করেছিলাম, কিন্তু দেখলাম, তিনি একটি এনজিও সরকার গঠন করেছেন।

জনতা পার্টি বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আসাদুজ্জামান বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা অত্যন্ত জরুরি।

জনতা পার্টির যুগ্ম মহাসচিব মেজর (অব) ইমরান বলেন, ভারত বাংলাদেশের শত্রু; যারা তা চিনতে পারবে, তারাই আসল প্রজন্ম।

জনতা পার্টি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান রেহানা সালাম বলেন, এই মুহূর্তে নির্বাচন প্রয়োজন নয়, প্রয়োজন শুধু সংস্কার।

বাংলাদেশ জনতা পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান এবিএম ওয়ালিউর রহমান খান বলেন, বিএনপির আসন সংখ্যা ৩০০। এরপর বৃহত্তর দল হলো জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশ। বিএনপি যত চেষ্টাই করুক, তাদের উদ্দেশ্য সফল হবে না। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলে নির্বাচনের মাঠ তৈরি করার দাবি জানান তিনি।

জাতীয় সংস্কার জোটের আহ্বায়ক মেজর (অব) আমিন আহমেদ আফসারী বলেন, জুলাই আন্দোলনে প্রত্যাশা সব ব্যর্থ হয়েছে। শুধু তাই নয়, শহীদদের সংখ্যা প্রকাশ করতেও সরকার ব্যর্থ। তিনি আরও বলেন, সংস্কারবিহীন নির্বাচন হলে স্বৈরতন্ত্র পুনর্বাসিত হবে এবং শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করা হবে।

বাংলাদেশ নিজাম ইসলামী পার্টির নির্বাহী সভাপতি মাওলানা এ.কে. আশরাফুল হক বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে হয়েছিল, ৩৬ জুলাই যারা মূল ভুমিকায় ছিলেন, তাদের সব জায়গা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠু করার জন্য যা যা করা প্রয়োজন, বর্তমান সরকার তা অবশ্যই করবে।