ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
অভিযুক্তদের বিচারের দাবি পরিবারের

শরীয়তপুরে অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখায় নবজাতকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, শরীয়তপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫
  • / 289

শরীয়তপুরে অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখায় নবজাতকের মৃত্যু

শরীয়তপুরে রোগী বহনকারী একটি অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখায় ভেতরে থাকা অসুস্থ এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স চালক সিন্ডিকেটের বাধার কারণেই এ ঘটনা ঘটে। তারা দ্রুত দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে ফরিদপুরের নিউ মেট্রো ক্লিনিকের পাশে।

রোগীর স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর এলাকার নূর হোসেন সরদারের স্ত্রী রুমা বেগম প্রসব বেদনা শুরু হলে তাকে জেলার নিউ মেট্রো ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ফুটফুটে এক ছেলে সন্তান জন্ম নিলেও জন্মের পরপরই শিশুটি ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ভুগছিল।

চিকিৎসকের পরামর্শে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরিবার ৫ হাজার টাকায় ঢাকাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে যাত্রা শুরু করে। পথে স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স চালক সবুজ দেওয়ান ও আবু তাহের দেওয়ান গাড়িটির পথ রোধ করে দাবি করেন, অন্য কোনো অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় যাবে না।

তারা জোর করে চালকের কাছ থেকে গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেন এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। স্বজনরা বাধা দিলে তাদেরও অপমান করা হয়। প্রায় ৪০ মিনিট আটকে রাখার পর নবজাতকটি মারা যায়।

শিশুটির নানি সেফালী বেগমের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের বাধায় শিশুটি ঢাকায় নেওয়া সম্ভব হয়নি। তারা জোর করে অক্সিজেন খুলে দেয়, যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. মোশারফ মিয়া জানান, রোগীর অবস্থা ভালো নয় বলে বারবার অনুরোধ করেও তিনি বাধা পান এবং মারধরের শিকার হন।

পালং মডেল থানার ওসি হেলাল উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেলে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অভিযুক্তদের বিচারের দাবি পরিবারের

শরীয়তপুরে অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখায় নবজাতকের মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৩:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

শরীয়তপুরে রোগী বহনকারী একটি অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখায় ভেতরে থাকা অসুস্থ এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স চালক সিন্ডিকেটের বাধার কারণেই এ ঘটনা ঘটে। তারা দ্রুত দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে ফরিদপুরের নিউ মেট্রো ক্লিনিকের পাশে।

রোগীর স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর এলাকার নূর হোসেন সরদারের স্ত্রী রুমা বেগম প্রসব বেদনা শুরু হলে তাকে জেলার নিউ মেট্রো ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে ফুটফুটে এক ছেলে সন্তান জন্ম নিলেও জন্মের পরপরই শিশুটি ঠান্ডাজনিত সমস্যায় ভুগছিল।

চিকিৎসকের পরামর্শে শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পরিবার ৫ হাজার টাকায় ঢাকাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া করে যাত্রা শুরু করে। পথে স্থানীয় অ্যাম্বুলেন্স চালক সবুজ দেওয়ান ও আবু তাহের দেওয়ান গাড়িটির পথ রোধ করে দাবি করেন, অন্য কোনো অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় যাবে না।

তারা জোর করে চালকের কাছ থেকে গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেন এবং তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। স্বজনরা বাধা দিলে তাদেরও অপমান করা হয়। প্রায় ৪০ মিনিট আটকে রাখার পর নবজাতকটি মারা যায়।

শিশুটির নানি সেফালী বেগমের অভিযোগ, সিন্ডিকেটের বাধায় শিশুটি ঢাকায় নেওয়া সম্ভব হয়নি। তারা জোর করে অক্সিজেন খুলে দেয়, যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. মোশারফ মিয়া জানান, রোগীর অবস্থা ভালো নয় বলে বারবার অনুরোধ করেও তিনি বাধা পান এবং মারধরের শিকার হন।

পালং মডেল থানার ওসি হেলাল উদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেলে দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।