ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরি হারানো শিক্ষকদের আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক, টেকনাফ
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 131

কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ

কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরি হারানো স্থানীয় শিক্ষকরা। সোমবার সকাল ৭টা থেকে ক্যাম্পে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দেশি-বিদেশি এনজিও সংস্থার কর্মীদেরও।

চাকরি হারানো স্থানীয় শিক্ষকরা জানান, অর্থ সংকটের কারণ দেখিয়ে এনজিওগুলো টালবাহানা করছে। প্রশাসন আশ্বাস দিলেও কোনো সুরাহা হয়নি। এজন্য দাবি আদায়ে ফের আন্দোলনে নেমেছেন তারা।

এদিকে সড়ক অবরোধের কারণে রাস্তার দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। কয়েক কিলোমিটার সড়কজুড়ে শুধু গাড়ির সারি। যানজটে আটকা পড়ে অনেক যাত্রী পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছেন। তীব্র গরমে যাত্রী এবং চালকরা সবাই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

ক্যাভার্ডভ্যান চালক ইদ্রিস বলেন, “দেড় ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকা পড়ে আছি। দুর্ভোগের শেষ নেই। আরও কত ঘণ্টা লাগবে জানি না।”

স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেব বলেন, “দীর্ঘ ৩ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছি। তীব্র গরমে খুবই কষ্ট পাচ্ছি।”

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসাইন সজীব সমকালকে বলেন, “আমরা সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছি।”

উল্লেখ্য, অর্থ সংকটের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিক্ষা প্রকল্পে কর্মরত স্থানীয় প্রায় ১২০০ বাংলাদেশি শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, বেতন বৃদ্ধির দাবি তোলায় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তবে রোহিঙ্গা শিক্ষকরা এখনও দায়িত্বে বহাল আছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরি হারানো শিক্ষকদের আন্দোলন

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করেছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চাকরি হারানো স্থানীয় শিক্ষকরা। সোমবার সকাল ৭টা থেকে ক্যাম্পে যাওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে দেশি-বিদেশি এনজিও সংস্থার কর্মীদেরও।

চাকরি হারানো স্থানীয় শিক্ষকরা জানান, অর্থ সংকটের কারণ দেখিয়ে এনজিওগুলো টালবাহানা করছে। প্রশাসন আশ্বাস দিলেও কোনো সুরাহা হয়নি। এজন্য দাবি আদায়ে ফের আন্দোলনে নেমেছেন তারা।

এদিকে সড়ক অবরোধের কারণে রাস্তার দুই পাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। কয়েক কিলোমিটার সড়কজুড়ে শুধু গাড়ির সারি। যানজটে আটকা পড়ে অনেক যাত্রী পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছেন। তীব্র গরমে যাত্রী এবং চালকরা সবাই চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

ক্যাভার্ডভ্যান চালক ইদ্রিস বলেন, “দেড় ঘণ্টা ধরে যানজটে আটকা পড়ে আছি। দুর্ভোগের শেষ নেই। আরও কত ঘণ্টা লাগবে জানি না।”

স্থানীয় বাসিন্দা আবু তালেব বলেন, “দীর্ঘ ৩ কিলোমিটার পায়ে হেঁটে গন্তব্যে যাচ্ছি। তীব্র গরমে খুবই কষ্ট পাচ্ছি।”

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমরান হোসাইন সজীব সমকালকে বলেন, “আমরা সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছি।”

উল্লেখ্য, অর্থ সংকটের কারণে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিক্ষা প্রকল্পে কর্মরত স্থানীয় প্রায় ১২০০ বাংলাদেশি শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, বেতন বৃদ্ধির দাবি তোলায় তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। তবে রোহিঙ্গা শিক্ষকরা এখনও দায়িত্বে বহাল আছেন।