ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাশিয়ায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত, ৪৯ জন নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • / 176

রাশিয়ায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত

রাশিয়ার দূর প্রাচ্যে একটি আনতোনোভ এএন-২৪ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার  রাশিয়ান জরুরি সেবাবিষয়ক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে ৪৯ জন আরোহী ছিলেন এবং সকল যাত্রী নিহত হয়েছেন।

সোভিয়েত যুগের প্রায় ৫০ বছর পুরনো এই বিমানটির দগ্ধ দেহাবশেষ একটি হেলিকপ্টার থেকে দেখা গেছে এবং উদ্ধারকর্মীরা দুর্ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছেন।

একটি হেলিকপ্টার থেকে ধারণ করা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বিমানটি ঘন বনাঞ্চলে পড়ে আছে বলে মনে হচ্ছে।

রাশিয়ায় যাত্রীবাহি বিমান বিধ্বস্ত
রাশিয়ায় যাত্রীবাহি বিমান বিধ্বস্ত

বিমানটির টেইল নম্বর থেকে জানা যায়, এটি ১৯৭৬ সালে নির্মিত হয়েছিল, যা সাইবেরিয়াভিত্তিক “আঙ্গারা” নামের একটি এয়ারলাইনস কোম্পানি পরিচালনা করতো।

বিমানটি ব্লাগোভেশচেনস্ক শহর থেকে টিনদা শহরের দিকে যাচ্ছিল এবং টিনদার কাছাকাছি পৌঁছানোর সময় এটি রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। টিনদা শহরটি আমুর অঞ্চলে অবস্থিত, যা চীনের সীমান্তঘেঁষা একটি প্রত্যন্ত এলাকা।

আঞ্চলিক গভর্নর ভাসিলি অরলভ জানান, প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে বিমানে ৪৩ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের মধ্যে পাঁচজন শিশু, এবং ছয়জন ক্রু সদস্য ছিলেন। তবে রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রণালয় যাত্রীসংখ্যা কিছুটা কম, প্রায় ৪০ জন বলে উল্লেখ করেছে।

ইন্টারফ্যাক্স সংবাদ সংস্থার উদ্ধৃতি অনুযায়ী, জরুরি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ টিনদা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে একটি পাহাড়ে পাওয়া গেছে।

জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ইউলিয়া পেতিনা টেলিগ্রামে লিখেছেন, “অনুসন্ধান অভিযানের সময় রোসাভিয়াতসিয়ার একটি এমআই-৮ হেলিকপ্টার বিমানটির দগ্ধ দেহাবশেষ খুঁজে পায়।” তিনি আরও জানান, “উদ্ধারকর্মীরা এখনও ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছেন।”

ঘটনার পরপরই এই দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সুত্র: রয়টার্স

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রাশিয়ায় যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত, ৪৯ জন নিহত

সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

রাশিয়ার দূর প্রাচ্যে একটি আনতোনোভ এএন-২৪ যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার  রাশিয়ান জরুরি সেবাবিষয়ক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এতে ৪৯ জন আরোহী ছিলেন এবং সকল যাত্রী নিহত হয়েছেন।

সোভিয়েত যুগের প্রায় ৫০ বছর পুরনো এই বিমানটির দগ্ধ দেহাবশেষ একটি হেলিকপ্টার থেকে দেখা গেছে এবং উদ্ধারকর্মীরা দুর্ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছেন।

একটি হেলিকপ্টার থেকে ধারণ করা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বিমানটি ঘন বনাঞ্চলে পড়ে আছে বলে মনে হচ্ছে।

রাশিয়ায় যাত্রীবাহি বিমান বিধ্বস্ত
রাশিয়ায় যাত্রীবাহি বিমান বিধ্বস্ত

বিমানটির টেইল নম্বর থেকে জানা যায়, এটি ১৯৭৬ সালে নির্মিত হয়েছিল, যা সাইবেরিয়াভিত্তিক “আঙ্গারা” নামের একটি এয়ারলাইনস কোম্পানি পরিচালনা করতো।

বিমানটি ব্লাগোভেশচেনস্ক শহর থেকে টিনদা শহরের দিকে যাচ্ছিল এবং টিনদার কাছাকাছি পৌঁছানোর সময় এটি রাডার থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়। টিনদা শহরটি আমুর অঞ্চলে অবস্থিত, যা চীনের সীমান্তঘেঁষা একটি প্রত্যন্ত এলাকা।

আঞ্চলিক গভর্নর ভাসিলি অরলভ জানান, প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে বিমানে ৪৩ জন যাত্রী ছিলেন, যাদের মধ্যে পাঁচজন শিশু, এবং ছয়জন ক্রু সদস্য ছিলেন। তবে রাশিয়ার জরুরি মন্ত্রণালয় যাত্রীসংখ্যা কিছুটা কম, প্রায় ৪০ জন বলে উল্লেখ করেছে।

ইন্টারফ্যাক্স সংবাদ সংস্থার উদ্ধৃতি অনুযায়ী, জরুরি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ টিনদা থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে একটি পাহাড়ে পাওয়া গেছে।

জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ইউলিয়া পেতিনা টেলিগ্রামে লিখেছেন, “অনুসন্ধান অভিযানের সময় রোসাভিয়াতসিয়ার একটি এমআই-৮ হেলিকপ্টার বিমানটির দগ্ধ দেহাবশেষ খুঁজে পায়।” তিনি আরও জানান, “উদ্ধারকর্মীরা এখনও ঘটনাস্থলের দিকে যাচ্ছেন।”

ঘটনার পরপরই এই দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সুত্র: রয়টার্স