ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাবি ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় সব আসামি খালাস

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 91

রাবি ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় সব আসামি খালাস

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ১০৫ জন আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন। রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী মহানগর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক জুলফিকার উল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরদিন শাহ মখদুম হলের পেছনের একটি ম্যানহোল থেকে ফারুক হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম বাদী হয়ে মতিহার থানায় মামলা করেন। মামলায় জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ শিবিরের ৩৫ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মোট ১১৪ জনকে আসামি করা হয়।

২০১২ সালের ৩০ জুলাই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। এরপর ২০১৯ সালে চার্জগঠন সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ সাক্ষ্য, প্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রোববার সকল আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় ২৫ জন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আলী আশরাফ মাসুম জানান, বিচার চলাকালে ৯ জন আসামি মারা যান। আদালত ১০৫ জনের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। তার ভাষায়, “ঘটনার সময়কার ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সাক্ষ্য দিতে গিয়ে কোনো আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে পারেননি। প্রমাণের অভাবেই সবাই খালাস পেয়েছেন।”

এ ছাড়া একই ঘটনার বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা একটি মামলাও সম্প্রতি প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিপি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রাবি ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হত্যা মামলায় সব আসামি খালাস

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হোসেন হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ১০৫ জন আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন। রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুরে রাজশাহী মহানগর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক জুলফিকার উল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরদিন শাহ মখদুম হলের পেছনের একটি ম্যানহোল থেকে ফারুক হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম বাদী হয়ে মতিহার থানায় মামলা করেন। মামলায় জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, নায়েবে আমির দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ শিবিরের ৩৫ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে মোট ১১৪ জনকে আসামি করা হয়।

২০১২ সালের ৩০ জুলাই মামলার অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। এরপর ২০১৯ সালে চার্জগঠন সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ সাক্ষ্য, প্রমাণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রোববার সকল আসামিকে নির্দোষ ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় ২৫ জন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আলী আশরাফ মাসুম জানান, বিচার চলাকালে ৯ জন আসামি মারা যান। আদালত ১০৫ জনের বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। তার ভাষায়, “ঘটনার সময়কার ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা সাক্ষ্য দিতে গিয়ে কোনো আসামির বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে পারেননি। প্রমাণের অভাবেই সবাই খালাস পেয়েছেন।”

এ ছাড়া একই ঘটনার বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা একটি মামলাও সম্প্রতি প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিপি।