ঢাকা ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
রুহুল আমিন হাওলাদার

রাজনীতিতে ঐক্যের চেয়ে অনৈক্য বেশি দৃশ্যমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / 129

জাপার একাংশের মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার। (ফাইল ফটো)

জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনীতিতে আরও সুসংহত ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন ছিল। তবে বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে ঐক্যের চেয়ে অনৈক্য বেশি দৃশ্যমান। একদিকে রয়েছে নানামুখী অস্থিরতা, সংশয় ও নিরাপত্তাহীনতা, অন্যদিকে রাজনৈতিক বিভাজন। এ অবস্থায় সরকার অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে কিনা তা নিয়েও জনগণের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর গুলশানের হাওলাদার টাওয়ারে জাতীয় পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক ও কো-চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সেন্টু, উত্তরের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, আমানত হোসেন, আব্দুল আজিজ, কাজী নাসির উদ্দিন সরকার, আব্দুস সাত্তার, মাসুম ও এম এ হাশেম প্রমুখ।

রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বারবার জোর দিয়ে বলেছেন ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে। তবে জাতীয় নির্বাচনের জন্য যে ধরনের সমতল ও সমান সুযোগের মাঠ (‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’) প্রয়োজন, তা এখনো দেশে দৃশ্যমান নয়। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি সংকটপূর্ণ ও উদ্বেগজনক। চারদিকে হতাশা, অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামের ইপিজেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আমাদের শঙ্কিত করেছে। এই ধরনের অগ্নিকাণ্ড আমাদের গার্মেন্ট শিল্পে বড় আঘাতের কারণ। সরকারকে গার্মেন্ট শিল্পসহ সব শিল্পক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। গার্মেন্ট শিল্পের মাধ্যমে আমাদের সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পার্টি সবসময় নির্বাচনমুখী দল। কারণ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেতে হলে নির্বাচনের বিকল্প নেই। গণতান্ত্রিক চর্চা ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্যও জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ অপরিহার্য। এছাড়া জাতীয় পার্টি দেশের জনগণ, সংবিধান ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্যও নির্বাচনের পক্ষে থাকে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।”

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রুহুল আমিন হাওলাদার

রাজনীতিতে ঐক্যের চেয়ে অনৈক্য বেশি দৃশ্যমান

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেছেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনীতিতে আরও সুসংহত ঐক্য গড়ে তোলা প্রয়োজন ছিল। তবে বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে ঐক্যের চেয়ে অনৈক্য বেশি দৃশ্যমান। একদিকে রয়েছে নানামুখী অস্থিরতা, সংশয় ও নিরাপত্তাহীনতা, অন্যদিকে রাজনৈতিক বিভাজন। এ অবস্থায় সরকার অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করতে পারবে কিনা তা নিয়েও জনগণের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর গুলশানের হাওলাদার টাওয়ারে জাতীয় পার্টির ঢাকা মহানগর উত্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টি ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক ও কো-চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম সেন্টু, উত্তরের সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম পাঠান, আমানত হোসেন, আব্দুল আজিজ, কাজী নাসির উদ্দিন সরকার, আব্দুস সাত্তার, মাসুম ও এম এ হাশেম প্রমুখ।

রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বারবার জোর দিয়ে বলেছেন ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে। তবে জাতীয় নির্বাচনের জন্য যে ধরনের সমতল ও সমান সুযোগের মাঠ (‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’) প্রয়োজন, তা এখনো দেশে দৃশ্যমান নয়। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি সংকটপূর্ণ ও উদ্বেগজনক। চারদিকে হতাশা, অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামের ইপিজেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড আমাদের শঙ্কিত করেছে। এই ধরনের অগ্নিকাণ্ড আমাদের গার্মেন্ট শিল্পে বড় আঘাতের কারণ। সরকারকে গার্মেন্ট শিল্পসহ সব শিল্পক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। গার্মেন্ট শিল্পের মাধ্যমে আমাদের সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পার্টি সবসময় নির্বাচনমুখী দল। কারণ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেতে হলে নির্বাচনের বিকল্প নেই। গণতান্ত্রিক চর্চা ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্যও জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ অপরিহার্য। এছাড়া জাতীয় পার্টি দেশের জনগণ, সংবিধান ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করার জন্যও নির্বাচনের পক্ষে থাকে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।”