যুবদলের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে ছাত্রদল কর্মী নিহত
- সর্বশেষ আপডেট ১০:২৪:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৫
- / 99
চট্টগ্রামে যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে মো. সাজ্জাদ (২২) নামে এক ছাত্রদলকর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। সোমবার রাত ১টার দিকে নগরীর বাকলিয়া থানার সৈয়দ শাহ রোডের মদিনা আবাসিক এলাকার এক্সেস রোডে এই সহিংসতা ঘটে।
নিহত সাজ্জাদ বাকলিয়ার তক্তারপুল এলাকার বাসিন্দা মো. আলমের ছেলে। তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে, তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন—জুয়েল, সাব্বির, শরীফ, ইয়াসিন, একরাম, পারভেজ ও মারুফ। তারা সবাই বাকলিয়ার বৌবাজার এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা ও যুবদল নেতা বোরহানের অনুসারীদের মধ্যে বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষ ঘটে। যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ব্যানার টানানো নিয়ে এই বিরোধ শুরু হয়।
বোরহানপন্থীরা সৈয়দ শাহ রোড এলাকায় সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের ছবিসহ একটি ব্যানার টানান। পরে বাদশার অনুসারীরা ব্যানারটি নামানোর চেষ্টা করলে দুই পক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে এবং উভয়পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় সাজ্জাদসহ অন্তত আট থেকে দশজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক সাজ্জাদকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই মো. ইমরান জানান, “রাতে মোবারক নামে এক বিএনপি কর্মী আমার ভাইকে ফোন করে বাইরে ডেকে নেয়। কিছুক্ষণ পরই গোলাগুলির খবর পাই। পরে জানতে পারি, আমার ভাই মারা গেছে।”
দলীয় সূত্র জানায়, এমদাদুল হক বাদশা গত জুলাইয়ে দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল থেকে বহিষ্কৃত হন।
বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন বলেন, “ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং ঘটনাটি তদন্তাধীন।”
































