ঢাকা ০১:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় প্রত্যাখ্যান ইরানের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 6

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সতর্ক করে বলেছেন যে আমেরিকা যতক্ষণ হুমকি এবং অতিরিক্ত দাবি বজায় রাখবে ততক্ষণ আলোচনা সফল হবে না। / রয়টার্স

ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক হুমকি অব্যাহত রাখে, তাহলে তারা কোনো ধরনের আলোচনা বা কূটনৈতিক উদ্যোগে অংশ নেবে না। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেহেতু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেননি।

বর্তমানে একটি মার্কিন নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় অবস্থান করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে যুদ্ধবহর সেখানে পৌঁছেছে, তবে নির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক স্থাপনা বা শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে অভিযান চালাতে পারে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, সামরিক হুমকির মাধ্যমে কূটনীতি কার্যকর বা ফলপ্রসূ হতে পারে না। টেলিভিশনে তিনি জানান, “যদি তারা আলোচনা চায়, তবে হুমকি, অতিরিক্ত দাবি ও অযৌক্তিক বিষয় উত্থাপন বন্ধ করতে হবে।” আরাঘচি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তার সঙ্গে মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফের কোনো যোগাযোগ হয়নি এবং ইরান নিজেও আলোচনা শুরু করেনি।

সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ফোনালাপের পর ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র কয়েকটি আরব দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানির সঙ্গে কথা বলেছেন। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা উত্তেজনা কমানো এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে।

এছাড়া মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি আলাদাভাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মার্কিন দূতের সঙ্গে ফোনালাপে অংশ নিয়ে উত্তেজনা কমানো এবং সংলাপ পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় প্রত্যাখ্যান ইরানের

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিক হুমকি অব্যাহত রাখে, তাহলে তারা কোনো ধরনের আলোচনা বা কূটনৈতিক উদ্যোগে অংশ নেবে না। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যেহেতু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেননি।

বর্তমানে একটি মার্কিন নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় অবস্থান করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে যুদ্ধবহর সেখানে পৌঁছেছে, তবে নির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি। বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক স্থাপনা বা শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে অভিযান চালাতে পারে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, সামরিক হুমকির মাধ্যমে কূটনীতি কার্যকর বা ফলপ্রসূ হতে পারে না। টেলিভিশনে তিনি জানান, “যদি তারা আলোচনা চায়, তবে হুমকি, অতিরিক্ত দাবি ও অযৌক্তিক বিষয় উত্থাপন বন্ধ করতে হবে।” আরাঘচি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তার সঙ্গে মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফের কোনো যোগাযোগ হয়নি এবং ইরান নিজেও আলোচনা শুরু করেনি।

সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের ফোনালাপের পর ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র কয়েকটি আরব দেশের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান আল থানির সঙ্গে কথা বলেছেন। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা উত্তেজনা কমানো এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে।

এছাড়া মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি আলাদাভাবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মার্কিন দূতের সঙ্গে ফোনালাপে অংশ নিয়ে উত্তেজনা কমানো এবং সংলাপ পুনরায় শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন।