ঢাকা ১১:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুক্তিপণ দিতে না পারায় প্রাণ গেল গোলরক্ষকের

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • / 91

মুক্তিপণ দিতে না পারায় প্রাণ গেল গোলরক্ষকের

সেনেগালের ১৮ বছর বয়সী তরুণ গোলরক্ষক শেখ তোরে ফুটবল ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন নিয়ে বিদেশি ক্লাবের ট্রায়ালে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্নই তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রতারণার ফাঁদে পড়ে তিনি অপহরণের শিকার হন এবং পরে নির্মমভাবে খুন হন।

শেখ তোরে সেনেগালের ‘এস্প্রি ফুট ইয়েমবেল’ ফুটবল একাডেমির একজন শিক্ষানবিশ গোলরক্ষক ছিলেন। উন্নত প্রশিক্ষণের প্রলোভন দেখিয়ে একটি প্রতারক চক্র তাকে পার্শ্ববর্তী দেশ ঘানায় নিয়ে যায়। ঘানায় পৌঁছানোর পরই ওই চক্র তাকে অপহরণ করে এবং তার পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তোরের পরিবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মুক্তিপণের অর্থ জোগাড় করতে না পারায় প্রতারক চক্রটি তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় সেনেগাল ও ঘানার ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে সেনেগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে দুই দেশের সরকার যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে এবং নিহত শেখ তোরের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মুক্তিপণ দিতে না পারায় প্রাণ গেল গোলরক্ষকের

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

সেনেগালের ১৮ বছর বয়সী তরুণ গোলরক্ষক শেখ তোরে ফুটবল ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন নিয়ে বিদেশি ক্লাবের ট্রায়ালে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্নই তার মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রতারণার ফাঁদে পড়ে তিনি অপহরণের শিকার হন এবং পরে নির্মমভাবে খুন হন।

শেখ তোরে সেনেগালের ‘এস্প্রি ফুট ইয়েমবেল’ ফুটবল একাডেমির একজন শিক্ষানবিশ গোলরক্ষক ছিলেন। উন্নত প্রশিক্ষণের প্রলোভন দেখিয়ে একটি প্রতারক চক্র তাকে পার্শ্ববর্তী দেশ ঘানায় নিয়ে যায়। ঘানায় পৌঁছানোর পরই ওই চক্র তাকে অপহরণ করে এবং তার পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, তোরের পরিবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মুক্তিপণের অর্থ জোগাড় করতে না পারায় প্রতারক চক্রটি তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

এই মর্মান্তিক ঘটনায় সেনেগাল ও ঘানার ক্রীড়াঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে সেনেগালের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে দুই দেশের সরকার যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে এবং নিহত শেখ তোরের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে।