ঢাকা ০৬:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মস্তিষ্কের সংকেত পড়েই কথা বলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 249

বিজ্ঞানীরা তৈরি করলেন কৃত্রিম নিউরন

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এমন এক চমকপ্রদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন, যা মাত্র ২৫ মিলিসেকেন্ডে মানুষের মস্তিষ্কের সংকেত বিশ্লেষণ করে তাৎক্ষণিকভাবে ভাষায় রূপ দিতে সক্ষম। এক সময় যিনি কথা বলতে পারতেন না, এখন সেই রোগীই গান গাইতে পারছেন—এ যেন বিজ্ঞানের এক যুগান্তকারী সাফল্য।

প্রযুক্তিটি প্রথমে প্রয়োগ করা হয়েছে অ্যামিওট্রফিক ল্যাটারাল স্কলেরোসিস ( এ এল এস)-এ আক্রান্ত এক রোগীর ওপর। তার মস্তিষ্কের ভাষা ও মুখের পেশি নিয়ন্ত্রণকারী অংশে বসানো হয় ২৫৬টি ইলেকট্রোড। স্ক্রিনে প্রদর্শিত বাক্যগুলো রোগী মনে মনে উচ্চারণ করলেই মস্তিষ্ক যে সংকেত তৈরি করে, সেই সংকেত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিকভাবে কথায় রূপান্তর করে।

গবেষকদের দাবি, এ প্রযুক্তি শুধু শব্দ তৈরিই করে না, বরং মানুষের স্বাভাবিক কথা বলার ভঙ্গিমা ও উচ্চারণের ওঠানামাও নিখুঁতভাবে অনুকরণ করতে পারে। রোগীর অনুভব, “এটা যেন নিজের কণ্ঠেই কথা বলছি।”

মস্তিষ্কের সংকেত পড়েই কথা বলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
মস্তিষ্কের সংকেত পড়েই কথা বলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো—ভয়েস ক্লোনিং প্রযুক্তির সাহায্যে তার পুরোনো রেকর্ড করা কণ্ঠস্বর পুনরুদ্ধার করে নতুন কথার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে যন্ত্রের কণ্ঠ নয়, বরং শুনতে লাগে একেবারেই মানবিক স্বর।

এই সাফল্য বাকশক্তি হারানো মানুষের জন্য এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। গবেষকরা আশাবাদী, ভবিষ্যতে শুধুমাত্র চিন্তা দিয়েই কথা বলা, গান গাওয়া এমনকি ফোনে কথোপকথন করাও সম্ভব হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মস্তিষ্কের সংকেত পড়েই কথা বলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৯:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এমন এক চমকপ্রদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন, যা মাত্র ২৫ মিলিসেকেন্ডে মানুষের মস্তিষ্কের সংকেত বিশ্লেষণ করে তাৎক্ষণিকভাবে ভাষায় রূপ দিতে সক্ষম। এক সময় যিনি কথা বলতে পারতেন না, এখন সেই রোগীই গান গাইতে পারছেন—এ যেন বিজ্ঞানের এক যুগান্তকারী সাফল্য।

প্রযুক্তিটি প্রথমে প্রয়োগ করা হয়েছে অ্যামিওট্রফিক ল্যাটারাল স্কলেরোসিস ( এ এল এস)-এ আক্রান্ত এক রোগীর ওপর। তার মস্তিষ্কের ভাষা ও মুখের পেশি নিয়ন্ত্রণকারী অংশে বসানো হয় ২৫৬টি ইলেকট্রোড। স্ক্রিনে প্রদর্শিত বাক্যগুলো রোগী মনে মনে উচ্চারণ করলেই মস্তিষ্ক যে সংকেত তৈরি করে, সেই সংকেত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিকভাবে কথায় রূপান্তর করে।

গবেষকদের দাবি, এ প্রযুক্তি শুধু শব্দ তৈরিই করে না, বরং মানুষের স্বাভাবিক কথা বলার ভঙ্গিমা ও উচ্চারণের ওঠানামাও নিখুঁতভাবে অনুকরণ করতে পারে। রোগীর অনুভব, “এটা যেন নিজের কণ্ঠেই কথা বলছি।”

মস্তিষ্কের সংকেত পড়েই কথা বলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
মস্তিষ্কের সংকেত পড়েই কথা বলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো—ভয়েস ক্লোনিং প্রযুক্তির সাহায্যে তার পুরোনো রেকর্ড করা কণ্ঠস্বর পুনরুদ্ধার করে নতুন কথার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফলে যন্ত্রের কণ্ঠ নয়, বরং শুনতে লাগে একেবারেই মানবিক স্বর।

এই সাফল্য বাকশক্তি হারানো মানুষের জন্য এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। গবেষকরা আশাবাদী, ভবিষ্যতে শুধুমাত্র চিন্তা দিয়েই কথা বলা, গান গাওয়া এমনকি ফোনে কথোপকথন করাও সম্ভব হবে।