ভারতের ওপর ২৫% শুল্ক শিথিলের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
- / 18
ভারতের পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করায় মোট শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। তবে এবার পরিস্থিতি বদলাতে পারে- মার্কিন অর্থসচিব স্কট বেসেন্ট শুল্ক হ্রাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তার যুক্তি, ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে খনিজ তেল কেনা বন্ধ করেছে, তাই শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।
বেসেন্ট সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আমাদের জন্য অত্যন্ত সফল হয়েছে। ভারত রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করেছে। যদিও শুল্ক এখনো চলছে, আমি মনে করি এবার প্রত্যাহারের পথ খুলেছে।”
গত সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নিয়ে বেসেন্ট ফক্স নিউজকে জানিয়েছিলেন, ভারত রাশিয়ার তেল আমদানিতে উল্লেখযোগ্যভাবে কাটছাঁট করেছে। এবার তিনি শুল্ক নিয়েও মন্তব্য করেছেন।
ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম খনিজ তেল আমদানিকারক দেশ। কয়েক বছর ধরে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল আমদানি বাড়ছিল, যা নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসন অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। তাদের দাবি ছিল, ভারতের এই তেল আমদানির ফলে রাশিয়া ইউক্রেনে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। এরপর গত জুলাইয়ে ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। এতে ভারত থেকে আমেরিকায় রফতানিতে মোট শুল্ক দাঁড়ায় ৫০ শতাংশে এবং দুই দেশের বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
চড়া শুল্কের ফলে আমেরিকায় পণ্য রফতানি করতে গিয়ে ভারতের ব্যবসায়ীরা বিকল্প খুঁজতে বাধ্য হয়েছে। তবে ভারত সরকার বলেছে, আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে তারা বাণিজ্যনীতি নির্ধারণ করে; তৃতীয় পক্ষের হুমকি বা চাপকে প্রাধান্য দেওয়া হবে না।
সাম্প্রতিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতের কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রাশিয়ার তেল আমদানি কমিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় সরকার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে তেল আমদানিতে কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়নি। বেসেন্টের এই তথ্যের উৎস কী- তা স্পষ্ট নয়।


































