ঢাকা ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু, দাম কমার আশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 51

ছবি সংগৃহীত

দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রায় দেড় মাস পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুরে চালবোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে আমদানি কার্যক্রম ফের চালু হয়।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভারত থেকে আসা চালবোঝাই ট্রাক বন্দর এলাকায় প্রবেশ করে। হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ডিপি ইন্টারপ্রাইজ দুটি ট্রাকে মোট ৭৭ টন ৬৩৬ কেজি চাল আমদানি করেছে। আমদানি শুরু হওয়ায় বন্দরের শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আবারও কর্মচাঞ্চলতা ফিরে এসেছে।

চাল আমদানিকারকরা জানান, সম্প্রতি দেশের বাজারে চালের দাম বাড়তে থাকায় সরকার দাম নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ জানুয়ারি ২৩২ জন আমদানিকারককে মোট ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়। অনুমতি পাওয়ার পর বরাদ্দপ্রাপ্ত আমদানিকারকরা এলসি খুললে ভারতীয় রপ্তানিকারকরা এলসির কপি হাতে পান এবং বুধবার থেকে চাল পাঠানো শুরু করেন।

তাদের ভাষ্য, ধাপে ধাপে আমদানির পরিমাণ বাড়বে। এতে করে বাজারে চালের সরবরাহ বাড়বে এবং দাম কমতে শুরু করবে। বর্তমানে যে দামে চাল বিক্রি হচ্ছে, ভারতীয় চাল বাজারে এলে প্রতি কেজিতে চার থেকে পাঁচ টাকা পর্যন্ত দাম কমতে পারে বলে তারা আশা করছেন।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ গত বছরের ৩০ নভেম্বর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল। এরপর থেকে সরকারি সিদ্ধান্তে এই বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ ছিল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু, দাম কমার আশা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের বাজারে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রায় দেড় মাস পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আবারও ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়েছে। বুধবার দুপুরে চালবোঝাই ট্রাক দেশে প্রবেশের মধ্য দিয়ে আমদানি কার্যক্রম ফের চালু হয়।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ভারত থেকে আসা চালবোঝাই ট্রাক বন্দর এলাকায় প্রবেশ করে। হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ডিপি ইন্টারপ্রাইজ দুটি ট্রাকে মোট ৭৭ টন ৬৩৬ কেজি চাল আমদানি করেছে। আমদানি শুরু হওয়ায় বন্দরের শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আবারও কর্মচাঞ্চলতা ফিরে এসেছে।

চাল আমদানিকারকরা জানান, সম্প্রতি দেশের বাজারে চালের দাম বাড়তে থাকায় সরকার দাম নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৮ জানুয়ারি ২৩২ জন আমদানিকারককে মোট ২ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়। অনুমতি পাওয়ার পর বরাদ্দপ্রাপ্ত আমদানিকারকরা এলসি খুললে ভারতীয় রপ্তানিকারকরা এলসির কপি হাতে পান এবং বুধবার থেকে চাল পাঠানো শুরু করেন।

তাদের ভাষ্য, ধাপে ধাপে আমদানির পরিমাণ বাড়বে। এতে করে বাজারে চালের সরবরাহ বাড়বে এবং দাম কমতে শুরু করবে। বর্তমানে যে দামে চাল বিক্রি হচ্ছে, ভারতীয় চাল বাজারে এলে প্রতি কেজিতে চার থেকে পাঁচ টাকা পর্যন্ত দাম কমতে পারে বলে তারা আশা করছেন।

উল্লেখ্য, সর্বশেষ গত বছরের ৩০ নভেম্বর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানি হয়েছিল। এরপর থেকে সরকারি সিদ্ধান্তে এই বন্দর দিয়ে চাল আমদানি বন্ধ ছিল।