ঢাকা ০৯:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভাইয়ের বিয়েতে যেতে না পেরে নারীর আত্মহত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • / 104

আত্মহত্যা

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ভাইয়ের বিয়েতে যোগ দিতে না পেরে অভিমানে আত্মহত্যা করেছেন নার্জিনা বেগম (৪০)। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চর সরিষাবাড়ী নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার জোরন আলী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত নার্জিনা বেগম ওই গ্রামের মৃত ময়েন উদ্দীনের মেয়ে। প্রায় ৩০ বছর আগে তার বিয়ে হলেও স্বামীর বাড়িতে মানসিক সমস্যা দেখা দিলে দুই বছর পর তিনি বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন এবং সেখানেই বসবাস করতেন। তার কোনো সন্তান নেই।

স্থানীয়দের ধারণা, শুক্রবার তার ছোট ভাই আলী আকবরের বিয়েতে অংশ নিতে না পারায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন নার্জিনা। পরে অভিমানে তিনি গলায় ফাঁস দেন।

সরিষাবাড়ী থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভাইয়ের বিয়েতে যেতে না পেরে নারীর আত্মহত্যা

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে ভাইয়ের বিয়েতে যোগ দিতে না পেরে অভিমানে আত্মহত্যা করেছেন নার্জিনা বেগম (৪০)। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চর সরিষাবাড়ী নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার জোরন আলী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত নার্জিনা বেগম ওই গ্রামের মৃত ময়েন উদ্দীনের মেয়ে। প্রায় ৩০ বছর আগে তার বিয়ে হলেও স্বামীর বাড়িতে মানসিক সমস্যা দেখা দিলে দুই বছর পর তিনি বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন এবং সেখানেই বসবাস করতেন। তার কোনো সন্তান নেই।

স্থানীয়দের ধারণা, শুক্রবার তার ছোট ভাই আলী আকবরের বিয়েতে অংশ নিতে না পারায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন নার্জিনা। পরে অভিমানে তিনি গলায় ফাঁস দেন।

সরিষাবাড়ী থানার ওসি মো. রাশেদুল হাসান রাশেদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।