ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বৌদ্ধ নেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা বিনিময়

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫
  • / 104

বৌদ্ধ নেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা বিনিময়

প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রোববার (৫ অক্টোবর) সকালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ নেতারা প্রবারণা পূর্ণিমার তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন জানান। এ সময় তারা ড. ইউনূসকে বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনের আমন্ত্রণও জানান।

রাজধানীর উত্তরায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শেষকৃত্যের জন্য স্থান বরাদ্দ দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ধর্মীয় নেতারা। তারা জানান, সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়ার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই এই জায়গা বরাদ্দ পাওয়া ঐতিহাসিক ঘটনা। এর ফলে এখন থেকে ঢাকার বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সদস্যদের শেষকৃত্যের জন্য দূর চট্টগ্রামে যেতে হবে না।

বৈঠকে চলতি বছর কঠিন চীবর দান উৎসবের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি ধর্ম মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার জন্য বৌদ্ধ নেতারা ধন্যবাদ জানান।

তীর্থযাত্রা সহজতর করার পাশাপাশি বৌদ্ধ পণ্ডিত অতীশ দীপঙ্করের নামে একটি সরকারিভাবে পরিচালিত জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান তারা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বৌদ্ধ নেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার শুভেচ্ছা বিনিময়

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ অক্টোবর ২০২৫

প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রোববার (৫ অক্টোবর) সকালে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বৌদ্ধ নেতারা প্রবারণা পূর্ণিমার তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং প্রধান উপদেষ্টাকে অভিনন্দন জানান। এ সময় তারা ড. ইউনূসকে বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শনের আমন্ত্রণও জানান।

রাজধানীর উত্তরায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের শেষকৃত্যের জন্য স্থান বরাদ্দ দেওয়ায় প্রধান উপদেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ধর্মীয় নেতারা। তারা জানান, সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়ার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই এই জায়গা বরাদ্দ পাওয়া ঐতিহাসিক ঘটনা। এর ফলে এখন থেকে ঢাকার বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সদস্যদের শেষকৃত্যের জন্য দূর চট্টগ্রামে যেতে হবে না।

বৈঠকে চলতি বছর কঠিন চীবর দান উৎসবের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি ধর্ম মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার জন্য বৌদ্ধ নেতারা ধন্যবাদ জানান।

তীর্থযাত্রা সহজতর করার পাশাপাশি বৌদ্ধ পণ্ডিত অতীশ দীপঙ্করের নামে একটি সরকারিভাবে পরিচালিত জ্ঞানচর্চা কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানান তারা।