অনেক উপদেষ্টা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫০:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬
- / 8
অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, তারা নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে প্রস্তুত। অনেক উপদেষ্টা ইতিমধ্যেই তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বাসাবোতে ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহার মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় খালিদ হোসেন বলেন, ‘একবার ক্ষমতায় বসতে পারলে ছলেবলে চেয়ার ধরে রাখার প্রবণতা এ দেশে রয়েছে। কিন্তু আমরা দায়িত্ব নেওয়ার দিন থেকেই বিদায়ের প্রস্তুতি রেখেছি। আমাদের অনেক উপদেষ্টা ইতিমধ্যেই কূটনৈতিক পাসপোর্ট স্যারেন্ডার করেছেন।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা মানসিকভাবে প্রস্তুত। একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে যারা ক্ষমতায় আসবেন তাদের হাতে আমরা ক্ষমতা হস্তান্তর করবো।’ খালিদ হোসেনের মতে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফল বাংলাদেশে ইতিহাসের একটি মাইলফলক হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়ী হলে আর কোনোদিন স্বৈরতন্ত্রের জন্ম হবে না এবং ক্ষমতার ভারসাম্য তৈরি হবে।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি ভোট দেয়ার সময় দুইটি ব্যালট দেওয়া হবে। সাদা ব্যালটের মাধ্যমে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়া হবে, আর গোলাপি ব্যালটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধিরা দেশ পরিচালনার জন্য আপনার নির্দেশনা পাবেন।’ তিনি সবাইকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
জুলাই সনদের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। কিন্তু ৫৪ বছরে আমরা এই লক্ষ্য অর্জন করতে পারিনি। দীর্ঘ শাসনামলে সংবিধানকে সীমিত করে বা তার দোহাই দিয়ে আমরা নিপীড়নমূলক শাসনের শিকার হয়েছি।’
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা। এতে বক্তব্য দেন রমনার সেন্ট ম্যারিস ক্যাথেড্রাল চার্চের প্রধান পালক ফাদার আলবার্ট টমাস রোজারিও, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি পিউস কস্তা।




































