ঢাকা ০৪:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিজিবিতে যোগ দিলেন ফেলানীর ছোট ভাই

নিজস্ব প্রতিবেদক, লালমনিরহাট
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 103

বিজিবিতে যোগ দিলেন ফেলানীর ছোট ভাই

ভারতের কুচবিহার সীমান্তে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারানো কিশোরী ফেলানী খাতুনের ছোট ভাই এবার যোগ দিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি)। লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) আয়োজিত নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর তিনি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দেবেন।

ফেলানীর ভাই আরফান হোসেন জানান, ছোটবেলা থেকেই দেশের জন্য কাজ করার স্বপ্ন ছিল তার। বোনের হত্যাকাণ্ডের পর মানুষের প্রতিবাদ তাকে আরও অনুপ্রাণিত করে। তাই বিজিবিতে চাকরি পাওয়া তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে তিনি মনে করেন।

ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম বলেন, বিএসএফের গুলিতে মেয়েকে হারানোর বেদনা আজও ভুলতে পারেননি। তবে দেশবাসী ও বিজিবি তাদের পরিবারের পাশে থেকেছে। দোকান করে দেওয়াসহ নানা সহায়তা করেছে। এখন ছেলে যোগ্যতার ভিত্তিতে বিজিবিতে চাকরি পাওয়ায় এটি তার জীবনের বড় আনন্দের মুহূর্ত।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান, ফেলানীর ছোট ভাই মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ রেখেছেন। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি দক্ষ সদস্য হিসেবে দেশের সেবায় নিয়োজিত হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সীমান্তে যাতে আর কোনো নৃশংস ঘটনা না ঘটে, সে জন্য বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিজিবিতে যোগ দিলেন ফেলানীর ছোট ভাই

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারতের কুচবিহার সীমান্তে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারানো কিশোরী ফেলানী খাতুনের ছোট ভাই এবার যোগ দিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি)। লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) আয়োজিত নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর তিনি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দেবেন।

ফেলানীর ভাই আরফান হোসেন জানান, ছোটবেলা থেকেই দেশের জন্য কাজ করার স্বপ্ন ছিল তার। বোনের হত্যাকাণ্ডের পর মানুষের প্রতিবাদ তাকে আরও অনুপ্রাণিত করে। তাই বিজিবিতে চাকরি পাওয়া তার জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে তিনি মনে করেন।

ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম বলেন, বিএসএফের গুলিতে মেয়েকে হারানোর বেদনা আজও ভুলতে পারেননি। তবে দেশবাসী ও বিজিবি তাদের পরিবারের পাশে থেকেছে। দোকান করে দেওয়াসহ নানা সহায়তা করেছে। এখন ছেলে যোগ্যতার ভিত্তিতে বিজিবিতে চাকরি পাওয়ায় এটি তার জীবনের বড় আনন্দের মুহূর্ত।

লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান, ফেলানীর ছোট ভাই মেধা ও যোগ্যতার প্রমাণ রেখেছেন। প্রশিক্ষণ শেষে তিনি দক্ষ সদস্য হিসেবে দেশের সেবায় নিয়োজিত হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সীমান্তে যাতে আর কোনো নৃশংস ঘটনা না ঘটে, সে জন্য বিজিবি সর্বদা সতর্ক রয়েছে।