ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিজয় দিবসে দর্শক মাতালেন ‌‘লাঠি খেলা’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 68

বিজয় দিবসের উৎসবে লাঠি খেলায় মেতে ওঠেন ফুলবাড়িয়া উপজেলার কুশমাইল টেকিপাড়া গ্রামের লোকজন। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) টেকিপাড়া (টেংগর) একতা ক্লাব মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এই খেলার আয়োজন করে।

জানা গেছে, বিজয় দিবস উপলক্ষে কুশমাইল টেকিপাড়া গ্রামে আয়োজন করা হয় লাঠি খেলা। দর্শকদের ভিড় জমে যায় মাঠে। যেখানে বাদ্যের তালে নেচে নেচে লাঠির কসরত দেখান খেলোয়াড়রা।

দর্শকদের কয়েকজন জানান, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য লাঠিখেলা অনেকটা হারাতে বসেছে। বিজয় দিবস উপলক্ষে এই লাঠিখেলার আয়োজন করে গ্রামীণ খেলাধুলার সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করার উদ্যোগটা ভালো হয়েছে। অনেক জমজমাট আয়োজন ছিল।

প্রবীণ খেলোয়াড় হাতেম আলী জানান, লাঠি খেলার এক সময় অনেক খেলোয়াড় ছিল, এখন খেলোয়াড় সংকট। ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাগুলো ধরে রাখতে সরকারের পৃষ্ঠপোষকাতা প্রয়োজন।

গ্রামীণ সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘পার্বন’-এর সংগঠক মোতালিব দরবারী বলেন, এক সময় স্থানীয়ভাবে আনন্দ করার মাধ্যম ছিল গ্রামীণ খেলাধুলা, এসব এখন বিলুপ্তির পথে। দেশীয় সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিজয় দিবসে ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলার আয়োজন করা হয়েছিল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিজয় দিবসে দর্শক মাতালেন ‌‘লাঠি খেলা’

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

বিজয় দিবসের উৎসবে লাঠি খেলায় মেতে ওঠেন ফুলবাড়িয়া উপজেলার কুশমাইল টেকিপাড়া গ্রামের লোকজন। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) টেকিপাড়া (টেংগর) একতা ক্লাব মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে এই খেলার আয়োজন করে।

জানা গেছে, বিজয় দিবস উপলক্ষে কুশমাইল টেকিপাড়া গ্রামে আয়োজন করা হয় লাঠি খেলা। দর্শকদের ভিড় জমে যায় মাঠে। যেখানে বাদ্যের তালে নেচে নেচে লাঠির কসরত দেখান খেলোয়াড়রা।

দর্শকদের কয়েকজন জানান, গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য লাঠিখেলা অনেকটা হারাতে বসেছে। বিজয় দিবস উপলক্ষে এই লাঠিখেলার আয়োজন করে গ্রামীণ খেলাধুলার সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করার উদ্যোগটা ভালো হয়েছে। অনেক জমজমাট আয়োজন ছিল।

প্রবীণ খেলোয়াড় হাতেম আলী জানান, লাঠি খেলার এক সময় অনেক খেলোয়াড় ছিল, এখন খেলোয়াড় সংকট। ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাগুলো ধরে রাখতে সরকারের পৃষ্ঠপোষকাতা প্রয়োজন।

গ্রামীণ সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘পার্বন’-এর সংগঠক মোতালিব দরবারী বলেন, এক সময় স্থানীয়ভাবে আনন্দ করার মাধ্যম ছিল গ্রামীণ খেলাধুলা, এসব এখন বিলুপ্তির পথে। দেশীয় সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিজয় দিবসে ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলার আয়োজন করা হয়েছিল।