বিচারিক ক্ষমতা পাচ্ছে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি
- সর্বশেষ আপডেট ১১:১০:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 55
অনিয়ম প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি (ইলেকট্রোরাল ইনকোয়ারি কমিটি) গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ৩০০ আসনে একটি করে কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিচারিক ক্ষমতা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সংসদ নির্বাচনের ইতিহাসে এই প্রথম অনুসন্ধান কমিটিকে বিচারিক ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সংক্রান্তের সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন।
সভায় উপস্থিত ইসির একাধিক কর্মকর্তা জানান, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) বিধান মতে বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের দিয়ে দেশের প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় একটি করে ৩০০টি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হবে। নির্বাচনে কোন প্রার্থী, তার কর্মী-সমর্থক নির্বাচনি আচরণ বিধি ভাঙলে এবং অপরাধ স্বীকার করলে সামারি ট্রায়ালের (সংক্ষিপ্ত বিচার) মাধ্যমে ওই কমিটি তাদের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে শাস্তি বা ক্ষেত্রবিশেষে জেল-জরিমানা দিতে পারবে।
ইতোমধ্যে ইসি থেকে নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির ব্যাপারে আইন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে এ সংক্রান্তে গঠিত কমিটি তাদের কাজ শুরু করবে।
সভা সূত্র জানায়, তফসিল ঘোষণার পর প্রথম দিকে সীমিত সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হবে। ভোটের আগে এ সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে। প্রতিটি উপজেলার জন্য দুজন, প্রতি নয়টি ওয়ার্ডের জন্য দুজন, ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সিটির জন্য ১৫ জন এবং চট্টগ্রাম সিটির জন্য ১০জন থাকবে। তারা নির্বাচনি এলাকায় ঘুরে ঘুরে প্রার্থী বা কর্মী-সমর্থকদের আচরণবিধি তদারকি করবেন।
এদিকে, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দশম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোট গ্রহণের সময় এক ঘণ্টা বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ব্যালট পেপার আগের রাতেই কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া হবে।
































