ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিচারক ও নারীর মন বোঝা কষ্টকর: অ্যাটর্নি জেনারেল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝিনাইদহ
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • / 93

বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। ফাইল ছবি

অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বলেছেন, কোনো মামলার রায় আগে থেকে অনুমান করা কঠিন। বিচারকের মন এবং নারীর মন বোঝা কষ্টকর। কখন কোন দিকে টার্ন নেবে, তা কেউ জানে না। তাই রায় প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত কারো পক্ষ বা বিপক্ষের ঝোঁক অনুমান করা সম্ভব নয়।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ঝিনাইদহের শৈলকুপায় কবি গোলাম মোস্তফার সাহিত্য–অবদান নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রায় ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আদালতের রায়কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ যে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করছে, সেগুলো নজরে রাখা হচ্ছে। আইনগতভাবে যেসব উদ্যোগ প্রয়োজন, সেগুলো নেওয়া হবে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে আওয়ামী লীগ এখন নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত, তাই তাদের যেকোনো কর্মসূচি আইনবিরোধী হিসেবেই গণ্য হবে।

আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলায় তেমন প্রভাব ফেলবে না। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে অনেক নেতা এখন বুঝেছেন যে দলীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে হঠাৎ দেশ ছাড়লে কর্মীরা অসুরক্ষিত অবস্থায় পড়ে যায়। ফলে তারা ঝুঁকি নিতে চাইবেন না।

সংবিধান সংশোধন ও গণভোট প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দেশের সংবিধান ও আইন নির্ধারণের ক্ষমতা সর্বদা বিজয়ী শক্তির হাতে থাকে—মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ১৯৭২ সালের সংবিধান, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং সাম্প্রতিক গণভোট তার উদাহরণ।

তিনি আরও বলেন, গণভোট ও সংবিধান নির্ধারণের মাধ্যমে জনগণই দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা দেবেন। এটি শুধু আইনি বিষয় নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিচারক ও নারীর মন বোঝা কষ্টকর: অ্যাটর্নি জেনারেল

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বলেছেন, কোনো মামলার রায় আগে থেকে অনুমান করা কঠিন। বিচারকের মন এবং নারীর মন বোঝা কষ্টকর। কখন কোন দিকে টার্ন নেবে, তা কেউ জানে না। তাই রায় প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত কারো পক্ষ বা বিপক্ষের ঝোঁক অনুমান করা সম্ভব নয়।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ঝিনাইদহের শৈলকুপায় কবি গোলাম মোস্তফার সাহিত্য–অবদান নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রায় ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আদালতের রায়কে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ যে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করছে, সেগুলো নজরে রাখা হচ্ছে। আইনগতভাবে যেসব উদ্যোগ প্রয়োজন, সেগুলো নেওয়া হবে। তিনি মনে করিয়ে দেন যে আওয়ামী লীগ এখন নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত, তাই তাদের যেকোনো কর্মসূচি আইনবিরোধী হিসেবেই গণ্য হবে।

আগামী জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, এই পরিস্থিতি নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলায় তেমন প্রভাব ফেলবে না। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে অনেক নেতা এখন বুঝেছেন যে দলীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজনকে নিয়ে হঠাৎ দেশ ছাড়লে কর্মীরা অসুরক্ষিত অবস্থায় পড়ে যায়। ফলে তারা ঝুঁকি নিতে চাইবেন না।

সংবিধান সংশোধন ও গণভোট প্রসঙ্গে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, দেশের সংবিধান ও আইন নির্ধারণের ক্ষমতা সর্বদা বিজয়ী শক্তির হাতে থাকে—মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ১৯৭২ সালের সংবিধান, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং সাম্প্রতিক গণভোট তার উদাহরণ।

তিনি আরও বলেন, গণভোট ও সংবিধান নির্ধারণের মাধ্যমে জনগণই দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা দেবেন। এটি শুধু আইনি বিষয় নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।