ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির দুই পক্ষের সমাবেশ ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 66

বিএনপির দুই পক্ষের সমাবেশ ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বিএনপির দুই পক্ষ একই দিনে পৃথক সমাবেশ আহ্বান করায় স্থানীয় প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাসেল ইকবাল স্বাক্ষরিত এই আদেশ জারি হয় এবং পরবর্তীতে ইউএনও আলফাডাঙ্গা নামের সরকারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজে তা প্রকাশ করা হয়।

ইউএনও রাসেল ইকবাল জানান, জননিরাপত্তা বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, পাঁচজনের বেশি মানুষের জমায়েত এবং অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জোগাতে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে শনিবার আসাদুজ্জামান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলামের।

অন্যদিকে একই সময়ে আলফাডাঙ্গা পৌর সদরের আরিফুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কমিটি বাতিলের দাবিতে বিএনপির আরেক পক্ষের সমাবেশের ঘোষণাও ছিল। পাশাপাশি বোয়ালমারীতে যুবদল নেতা মিনহাজুর রহমান লিপনের ওপর হামলার প্রতিবাদেও বিক্ষোভ সমাবেশের পরিকল্পনা করে তারা। এতে প্রধান অতিথি হওয়ার কথা ছিল ফরিদপুর-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ভিপি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর।

উপজেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে—এ আশঙ্কায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

খন্দকার নাসিরুল ইসলামের সমর্থক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান খসরু বলেন, তাদের সমাবেশ পূর্বনির্ধারিত ছিল। কিন্তু হঠাৎই অন্য পক্ষও সমাবেশ ডেকে উত্তেজনা বাড়ায়।

অন্যদিকে শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর অনুসারী বিএনপি নেতা খোসবুর রহমান খোকন জানান, তাদের সমাবেশ ছিল কমিটি বাতিল ও পূর্বের সহিংসতার প্রতিবাদে। প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করলেও তারা কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুত রয়েছেন।

আলফাডাঙ্গা থানার ওসি শাহজালাল আলম জানান, সকাল থেকেই পুলিশ মাঠে রয়েছে। কেউ আইন ভঙ্গের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিএনপির দুই পক্ষের সমাবেশ ঘিরে ১৪৪ ধারা জারি

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বিএনপির দুই পক্ষ একই দিনে পৃথক সমাবেশ আহ্বান করায় স্থানীয় প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রাসেল ইকবাল স্বাক্ষরিত এই আদেশ জারি হয় এবং পরবর্তীতে ইউএনও আলফাডাঙ্গা নামের সরকারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজে তা প্রকাশ করা হয়।

ইউএনও রাসেল ইকবাল জানান, জননিরাপত্তা বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ কারণে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, পাঁচজনের বেশি মানুষের জমায়েত এবং অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জোগাতে উপজেলা ও পৌর বিএনপির উদ্যোগে শনিবার আসাদুজ্জামান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলামের।

অন্যদিকে একই সময়ে আলফাডাঙ্গা পৌর সদরের আরিফুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কমিটি বাতিলের দাবিতে বিএনপির আরেক পক্ষের সমাবেশের ঘোষণাও ছিল। পাশাপাশি বোয়ালমারীতে যুবদল নেতা মিনহাজুর রহমান লিপনের ওপর হামলার প্রতিবাদেও বিক্ষোভ সমাবেশের পরিকল্পনা করে তারা। এতে প্রধান অতিথি হওয়ার কথা ছিল ফরিদপুর-১ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ভিপি শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর।

উপজেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে—এ আশঙ্কায় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

খন্দকার নাসিরুল ইসলামের সমর্থক উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান খসরু বলেন, তাদের সমাবেশ পূর্বনির্ধারিত ছিল। কিন্তু হঠাৎই অন্য পক্ষও সমাবেশ ডেকে উত্তেজনা বাড়ায়।

অন্যদিকে শামসুদ্দিন মিয়া ঝুনুর অনুসারী বিএনপি নেতা খোসবুর রহমান খোকন জানান, তাদের সমাবেশ ছিল কমিটি বাতিল ও পূর্বের সহিংসতার প্রতিবাদে। প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করলেও তারা কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রস্তুত রয়েছেন।

আলফাডাঙ্গা থানার ওসি শাহজালাল আলম জানান, সকাল থেকেই পুলিশ মাঠে রয়েছে। কেউ আইন ভঙ্গের চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।