ঢাকা ০৫:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 113

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রদলের এক নেতা মারা গেছেন। রোববার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহত হন তানজিন আহমেদ আবিদ (৩০), যিনি ময়মনসিংহ নগরীর দৌলত মুন্সিরোড এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ শফিক উদ্দিন জানান, তানজিন আহমেদ আবিদকে হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা গেছেন। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে বিকেলে জেলার গৌরীপুর পৌর শহরের পাটবাজার এলাকায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেন দলীয় মনোনয়ন পান। মনোনয়ন না পাওয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তায়েবুর রহমান হিরণ রেলপথ ও সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছিলেন।

রোববার বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেনের সমাবেশ গৌরীপুর সরকারি কলেজের হোস্টেল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে হিরণের সমর্থকরা মধ্য বাজারে সমাবেশ আয়োজন করেন। দুই পক্ষের সমাবেশে যাওয়ার পথে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষে মঞ্চ, চেয়ার, মোটরসাইকেল ও দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর হয়। হিরণের সমর্থকরা দাবি করেন, অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন, আর ইকবাল পক্ষের দাবি, তাদের ১০ জন আহত হয়েছেন।

মনোনয়নপ্রাপ্ত ইকবালের পক্ষের নেতারা জানান, নিহত আবিদ ছিলেন তাদের সমর্থক এবং প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে মারা গেছেন। তবে হিরণের পক্ষের নেতারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. দিদারুল ইসলাম বলেন, “সংঘর্ষের সময় তানজিন আহমেদ আবিদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তিনি ইকবাল সাহেবের সভায় এসেছিলেন।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতার মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ছাত্রদলের এক নেতা মারা গেছেন। রোববার (৯ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহত হন তানজিন আহমেদ আবিদ (৩০), যিনি ময়মনসিংহ নগরীর দৌলত মুন্সিরোড এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ শফিক উদ্দিন জানান, তানজিন আহমেদ আবিদকে হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা গেছেন। নিহতের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং প্রাথমিকভাবে এটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে।

এর আগে বিকেলে জেলার গৌরীপুর পৌর শহরের পাটবাজার এলাকায় বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেন দলীয় মনোনয়ন পান। মনোনয়ন না পাওয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তায়েবুর রহমান হিরণ রেলপথ ও সড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছিলেন।

রোববার বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেনের সমাবেশ গৌরীপুর সরকারি কলেজের হোস্টেল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে হিরণের সমর্থকরা মধ্য বাজারে সমাবেশ আয়োজন করেন। দুই পক্ষের সমাবেশে যাওয়ার পথে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। সংঘর্ষে মঞ্চ, চেয়ার, মোটরসাইকেল ও দুটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর হয়। হিরণের সমর্থকরা দাবি করেন, অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন, আর ইকবাল পক্ষের দাবি, তাদের ১০ জন আহত হয়েছেন।

মনোনয়নপ্রাপ্ত ইকবালের পক্ষের নেতারা জানান, নিহত আবিদ ছিলেন তাদের সমর্থক এবং প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে মারা গেছেন। তবে হিরণের পক্ষের নেতারা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. দিদারুল ইসলাম বলেন, “সংঘর্ষের সময় তানজিন আহমেদ আবিদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তিনি ইকবাল সাহেবের সভায় এসেছিলেন।”