ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাবার মৃত্যুর খবর শুনে ছেলেও না-ফেরার দেশে

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 309

বাবার মৃত্যুর খবর শুনে ছেলেও না-ফেরার দেশে

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। বাবা হাসমত আলীর মৃত্যুর খবর শোনার দুই ঘণ্টার মাথায় ছেলেও মারা গেছেন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে।

রোববার (৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের ধামলই গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। একসঙ্গে বাবা-ছেলের মৃত্যুতে গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। মাগরিবের নামাজের পর জানাজা শেষে তাদের পাশাপাশি কবরস্থ করা হয়।

৮৩ বছর বয়সী হাসমত আলী ছিলেন শ্রীপুর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের প্রাক্তন কর্মী, আর ছেলে বাবুল মিয়া (৪৮) ছিলেন টঙ্গী সাবরেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক।

স্থানীয়রা জানান, বার্ধক্যজনিত কারণে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন হাসমত আলী। সকালে হঠাৎ করে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে ছেলেকে জানানো হলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কিছুক্ষণ পর বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসক জানিয়েছেন, বাবুল মিয়ার মৃত্যু হয়েছে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে।

কাওরাইদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলম খান বলেন, “বাবুল তার বাবার দেখভালে সব সময় সচেষ্ট ছিলেন। হয়তো বাবার হঠাৎ চলে যাওয়া তিনি মেনে নিতে পারেননি। বাবার পেছনেই তিনিও চলে গেলেন।”

বাবা-ছেলের জানাজায় অংশ নেওয়া বহু মানুষ চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। স্থানীয়রা জানান, দলিল লেখক হিসেবে হাসমত আলী ও বাবুল মিয়া এলাকার মানুষের পাশে ছিলেন সবসময়। তাদের এমন বিদায় এলাকাবাসীর মনে গভীর বেদনার ছাপ রেখে গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাবার মৃত্যুর খবর শুনে ছেলেও না-ফেরার দেশে

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে। বাবা হাসমত আলীর মৃত্যুর খবর শোনার দুই ঘণ্টার মাথায় ছেলেও মারা গেছেন হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে।

রোববার (৩ আগস্ট) সকালে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের ধামলই গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। একসঙ্গে বাবা-ছেলের মৃত্যুতে গ্রামজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। মাগরিবের নামাজের পর জানাজা শেষে তাদের পাশাপাশি কবরস্থ করা হয়।

৮৩ বছর বয়সী হাসমত আলী ছিলেন শ্রীপুর সাবরেজিস্ট্রি অফিসের প্রাক্তন কর্মী, আর ছেলে বাবুল মিয়া (৪৮) ছিলেন টঙ্গী সাবরেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক।

স্থানীয়রা জানান, বার্ধক্যজনিত কারণে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন হাসমত আলী। সকালে হঠাৎ করে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে ছেলেকে জানানো হলে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। কিছুক্ষণ পর বুকে ব্যথা অনুভব করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চিকিৎসক জানিয়েছেন, বাবুল মিয়ার মৃত্যু হয়েছে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে।

কাওরাইদ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আলম খান বলেন, “বাবুল তার বাবার দেখভালে সব সময় সচেষ্ট ছিলেন। হয়তো বাবার হঠাৎ চলে যাওয়া তিনি মেনে নিতে পারেননি। বাবার পেছনেই তিনিও চলে গেলেন।”

বাবা-ছেলের জানাজায় অংশ নেওয়া বহু মানুষ চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। স্থানীয়রা জানান, দলিল লেখক হিসেবে হাসমত আলী ও বাবুল মিয়া এলাকার মানুষের পাশে ছিলেন সবসময়। তাদের এমন বিদায় এলাকাবাসীর মনে গভীর বেদনার ছাপ রেখে গেছে।