ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাকেরগঞ্জে ৯২ শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 108

বাকেরগঞ্জে ৯২ শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ২১১নং দক্ষিণ শিয়ালগুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৯২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। কিন্তু তাদের পড়াশোনা পরিচালনা করছেন মাত্র একজন শিক্ষক। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রমে বড় ধরনের ব্যাঘাত দেখা দিচ্ছে।

অভিভাবকদের তথ্য অনুযায়ী, মো. হাবিবুর রহমান বিদ্যালয়ের একমাত্র কর্মরত সহকারী শিক্ষক। বিদ্যালয়ে আর কোনো শিক্ষক নেই, ফলে তিনি একাই সব শ্রেণির ক্লাস পরিচালনা করছেন। একই সঙ্গে দাপ্তরিক কাজের জন্যও তার সময় ব্যস্ত থাকে, যা পাঠদানের মানকে প্রভাবিত করছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, বিদ্যালয়টি ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০১৩ সালে সরকারিকরণ করা হয়। বর্তমানে এখানে মোট ৬টি শিক্ষক পদের মধ্যে একমাত্র হাবিবুর রহমানই কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্য সহকারী শিক্ষক কাওসার হোসেন গত বছরের নভেম্বর থেকে পিটিআই প্রশিক্ষণে রয়েছেন। একজন শিক্ষক নুসরাত জাহান ছয় মাস ধরে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে এবং মাধবী আক্তার এক বছর ধরে সাসপেনশনে আছেন। বাকি দুজনের মধ্যে একজন প্রধান শিক্ষক এবং একজন সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য।

হাবিবুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ে দুই শিফটে ক্লাস হয় এবং কোনোভাবে তা চালানোর চেষ্টা করছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কাজ থাকলে স্কুল ছুটি দিতে হয়।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন জানান, তিনি সম্প্রতি যোগদান করেছেন এবং শিক্ষক সংকটের বিষয়টি জানেন না। তবে দ্রুত বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাকেরগঞ্জে ৯২ শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক

সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার ২১১নং দক্ষিণ শিয়ালগুনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৯২ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। কিন্তু তাদের পড়াশোনা পরিচালনা করছেন মাত্র একজন শিক্ষক। এতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান কার্যক্রমে বড় ধরনের ব্যাঘাত দেখা দিচ্ছে।

অভিভাবকদের তথ্য অনুযায়ী, মো. হাবিবুর রহমান বিদ্যালয়ের একমাত্র কর্মরত সহকারী শিক্ষক। বিদ্যালয়ে আর কোনো শিক্ষক নেই, ফলে তিনি একাই সব শ্রেণির ক্লাস পরিচালনা করছেন। একই সঙ্গে দাপ্তরিক কাজের জন্যও তার সময় ব্যস্ত থাকে, যা পাঠদানের মানকে প্রভাবিত করছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, বিদ্যালয়টি ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ২০১৩ সালে সরকারিকরণ করা হয়। বর্তমানে এখানে মোট ৬টি শিক্ষক পদের মধ্যে একমাত্র হাবিবুর রহমানই কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্য সহকারী শিক্ষক কাওসার হোসেন গত বছরের নভেম্বর থেকে পিটিআই প্রশিক্ষণে রয়েছেন। একজন শিক্ষক নুসরাত জাহান ছয় মাস ধরে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে এবং মাধবী আক্তার এক বছর ধরে সাসপেনশনে আছেন। বাকি দুজনের মধ্যে একজন প্রধান শিক্ষক এবং একজন সহকারী শিক্ষক পদ শূন্য।

হাবিবুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ে দুই শিফটে ক্লাস হয় এবং কোনোভাবে তা চালানোর চেষ্টা করছেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে কাজ থাকলে স্কুল ছুটি দিতে হয়।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার রুহুল আমিন জানান, তিনি সম্প্রতি যোগদান করেছেন এবং শিক্ষক সংকটের বিষয়টি জানেন না। তবে দ্রুত বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে।