ঢাকা ০৯:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের সব ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে : উপদেষ্টা সাখাওয়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক, নাটোর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 277

বাংলাদেশের সব ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে : উপদেষ্টা সাখাওয়াত

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, “আমাদের দেশের পূর্ণ কাঠামো ভেঙে পড়েছে। সব ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে; জেলা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত। এটা ৮ মাস, ১০ মাস কিংবা ১ বছরে ঠিক করা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, “পুলিশ ও প্রশাসন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। পুলিশ কাজ করছে না; কীভাবে করবে? কাঠামো তো নেই। আইন ও প্রশাসনের কাঠামোও শেষ।”

রবিবার (৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নাটোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেক হস্তান্তর এবং স্থানীয় প্রদর্শন ও ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “ব্যবসায়ীরা কিছু হলেই বলে সরকার টাকা দেয় না। কিন্তু সরকার তো কোনো ইন্ডাস্ট্রি চালায় না। আমরা ঋণ দিয়েছি। যেমনটি বেক্সিমকোকে দেওয়া হয়েছিল। একটি ব্যাংক থেকে ২৭ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে। সে টাকা কোথায় গেছে, আমরা জানি না। টাকা নিয়ে অনেকে বিদেশে পালিয়ে গেছে। আমরা বিদেশে গেলে সাত দিনও টাকার অভাবে থাকতে পারি না, আর তারা মাসের পর মাস বাড়ি বানিয়ে থাকে—কীভাবে? তারা আমাদের ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে গেছে। যাকে ধরি, কেউ ৫০০, ৭০০ বা ১০০০ কোটি টাকার নিচে নেয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা শ্রমিকদের ব্যাপারে আন্তরিক। আমাদের শ্রম আইন যতদূর সম্ভব আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার চেষ্টা করেছি। কর্মক্ষেত্রে নারী বৈষম্য বা লিঙ্গ বৈষম্য না থাকে; এ জন্য আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছি। এখন আমরা মোটামুটি আইএলওর মানদণ্ডের ওপরে রয়েছি।”

দেশ শুধু গার্মেন্টস ও জনশক্তি খাতেই রপ্তানি করছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, “এই দুটি খাতকে টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি রপ্তানিমুখী আরও খাত তৈরি করতে হবে। শিপ বিল্ডিং (জাহাজ নির্মাণ) একটি সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে। এটা নিয়ে সরকার কাজ করছে।”

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন। আরও উপস্থিত ছিলেন নাটোরের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মো. আরেফিন সিদ্দিক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবুল হায়াত এবং বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাংলাদেশের সব ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে : উপদেষ্টা সাখাওয়াত

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৫:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, “আমাদের দেশের পূর্ণ কাঠামো ভেঙে পড়েছে। সব ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে; জেলা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত। এটা ৮ মাস, ১০ মাস কিংবা ১ বছরে ঠিক করা সম্ভব নয়।”

তিনি আরও বলেন, “পুলিশ ও প্রশাসন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। পুলিশ কাজ করছে না; কীভাবে করবে? কাঠামো তো নেই। আইন ও প্রশাসনের কাঠামোও শেষ।”

রবিবার (৩ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নাটোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের চেক হস্তান্তর এবং স্থানীয় প্রদর্শন ও ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “ব্যবসায়ীরা কিছু হলেই বলে সরকার টাকা দেয় না। কিন্তু সরকার তো কোনো ইন্ডাস্ট্রি চালায় না। আমরা ঋণ দিয়েছি। যেমনটি বেক্সিমকোকে দেওয়া হয়েছিল। একটি ব্যাংক থেকে ২৭ হাজার কোটি টাকা নিয়েছে। সে টাকা কোথায় গেছে, আমরা জানি না। টাকা নিয়ে অনেকে বিদেশে পালিয়ে গেছে। আমরা বিদেশে গেলে সাত দিনও টাকার অভাবে থাকতে পারি না, আর তারা মাসের পর মাস বাড়ি বানিয়ে থাকে—কীভাবে? তারা আমাদের ব্যাংক থেকে টাকা নিয়ে গেছে। যাকে ধরি, কেউ ৫০০, ৭০০ বা ১০০০ কোটি টাকার নিচে নেয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা শ্রমিকদের ব্যাপারে আন্তরিক। আমাদের শ্রম আইন যতদূর সম্ভব আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার চেষ্টা করেছি। কর্মক্ষেত্রে নারী বৈষম্য বা লিঙ্গ বৈষম্য না থাকে; এ জন্য আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছি। এখন আমরা মোটামুটি আইএলওর মানদণ্ডের ওপরে রয়েছি।”

দেশ শুধু গার্মেন্টস ও জনশক্তি খাতেই রপ্তানি করছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, “এই দুটি খাতকে টিকিয়ে রাখার পাশাপাশি রপ্তানিমুখী আরও খাত তৈরি করতে হবে। শিপ বিল্ডিং (জাহাজ নির্মাণ) একটি সম্ভাবনাময় খাত হতে পারে। এটা নিয়ে সরকার কাজ করছে।”

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন। আরও উপস্থিত ছিলেন নাটোরের পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. মো. আরেফিন সিদ্দিক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আবুল হায়াত এবং বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।