সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে মার্কিন কংগ্রেসম্যানদের চিঠি
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
- / 48
যুক্তরাষ্ট্রের দুই সিনিয়র কংগ্রেসম্যান জো উইলসন ও নাইল পাও মার্কিন ককাসের ডেপুটি চেয়ারম্যান মার্ক রুবিওকে চিঠি দিয়ে বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য সাধারণ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ করার জন্য পররাষ্ট্র দপ্তরের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানিয়েছেন। কংগ্রেসম্যানরা বলেন, এই নির্বাচন বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২৭ জানুয়ারি লেখা চিঠিতে তারা উল্লেখ করেন, ভোটাররা ব্যালটের মাধ্যমে নিজেদের মত প্রকাশ ও দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পাচ্ছেন। তারা অব্যাহত রাখা হচ্ছে বলে মনে করেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কারের ধারাবাহিকতায় এই নির্বাচন একটি ইতিবাচক অগ্রগতির সুযোগ তৈরি করেছে।
চিঠিতে কংগ্রেস সদস্যরা পররাষ্ট্র দপ্তরকে অনুরোধ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে। তারা বলেন, ফেব্রুয়ারির এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর এটি প্রথমবারের ভোট।
চিঠিতে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনারের তথ্য উল্লেখ করে বলা হয়েছে, আন্দোলনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে এক হাজার চারশর বেশি মানুষ নিহত হন। এছাড়াও, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ভোটকে অবাধ ও সুষ্ঠু হিসেবে মূল্যায়ন করেনি।
বর্তমান পরিস্থিতিকে দেশের জন্য নাজুক ও অস্থির হিসেবে উল্লেখ করে কংগ্রেস সদস্যরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকি বেড়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে গণতন্ত্রপন্থী আন্দোলনের এক নেতার হত্যাকাণ্ড এবং একজন শ্রমিককে জনতার হাতে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনা এই ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, আসন্ন নির্বাচন সহিংসতা ও প্রতিশোধের চক্র ভাঙার একটি বড় সুযোগ। আইনের শাসন ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল সরকার গঠনের পথে এই নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনর্গঠনে এটি সহায়ক হবে বলে তারা আশাবাদ প্রকাশ করেন।
চিঠিতে কংগ্রেস সদস্যরা পররাষ্ট্র দপ্তরকে অনুরোধ করেছেন, নির্বাচন সম্পর্কিত পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে তাদের আগেই অবহিত করা হোক এবং ১২ ফেব্রুয়ারির আগে একটি ব্রিফিং দেওয়া হোক।




































