ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ তাবেদারমুক্ত থাকবে: সালাহউদ্দিন

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 113

বাংলাদেশ তাবেদারমুক্ত থাকবে: সালাহউদ্দিন

বাংলাদেশ তাবেদারমুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, “এই বাংলাদেশ হবে এক নীতির বাংলাদেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। বিদেশি কোনো প্রভু থাকবে না, বন্ধু থাকবে। এই বাংলাদেশ তাবেদারমুক্ত থাকবে।”

বুধবার (৬ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া বিজয় র‍্যালি-পূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তিতে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘বিজয় র‍্যালি’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আশাবাদ ব্যক্ত করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এই ঐক্য হবে ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য। ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি। এই শক্তিকে সমুন্নত রেখে জাতিকে শীর্ষ উচ্চতায় নিয়ে যাবো, সমৃদ্ধির শিখরে পৌঁছে দেবো। আমাদের শক্তি হবে আমাদের ঐক্য।”

তিনি আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে আমরা কোনো বিভেদ চাই না। যারা বিভেদ সৃষ্টি করছে, তারা বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি নয়। যারা নির্বাচনের বিপক্ষে কথা বলছে, তারা বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি নয়। যারা ঐক্য ভঙ্গের চেষ্টা করছে, তারা বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি নয়। বাংলাদেশের পক্ষের শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে, গণতন্ত্রের সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে সংস্কারের মাধ্যমে সবাই মিলে এগিয়ে যেতে হবে। এই রাষ্ট্রকে পৃথিবীর বুকে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা হবে।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “যখনই দেশে গণতন্ত্র হত্যার চেষ্টা হয়েছে, তখনই জনগণ তা প্রতিহত করেছে। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যার পক্ষে ছিল।”

তিনি বলেন, “অতি দ্রুত আগামী জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হবে বলে আশা করছি। তবে নির্বাচন ঠেকাতে বিরোধী শক্তি ষড়যন্ত্র করছে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে যেন কেউ নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে না পারে।”

জুলাই ঘোষণাপত্রে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার নাম না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার নাম না থাকার বিষয়টি আমাকে ব্যথিত করেছে। তবে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশের জন্য স্বাগত জানাই।”

সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত বছরের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “বিএনপি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছে, মাথা নত করেনি।”

র‍্যালি-পূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সঞ্চালনায় ছিলেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এতে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাংলাদেশ তাবেদারমুক্ত থাকবে: সালাহউদ্দিন

সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৪:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশ তাবেদারমুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, “এই বাংলাদেশ হবে এক নীতির বাংলাদেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। বিদেশি কোনো প্রভু থাকবে না, বন্ধু থাকবে। এই বাংলাদেশ তাবেদারমুক্ত থাকবে।”

বুধবার (৬ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হওয়া বিজয় র‍্যালি-পূর্ব সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তিতে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘বিজয় র‍্যালি’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

স্বাধীন, সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আশাবাদ ব্যক্ত করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এই ঐক্য হবে ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য। ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি। এই শক্তিকে সমুন্নত রেখে জাতিকে শীর্ষ উচ্চতায় নিয়ে যাবো, সমৃদ্ধির শিখরে পৌঁছে দেবো। আমাদের শক্তি হবে আমাদের ঐক্য।”

তিনি আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক শক্তির মধ্যে আমরা কোনো বিভেদ চাই না। যারা বিভেদ সৃষ্টি করছে, তারা বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি নয়। যারা নির্বাচনের বিপক্ষে কথা বলছে, তারা বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি নয়। যারা ঐক্য ভঙ্গের চেষ্টা করছে, তারা বাংলাদেশের পক্ষের শক্তি নয়। বাংলাদেশের পক্ষের শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে, গণতন্ত্রের সব পক্ষকে সঙ্গে নিয়ে সংস্কারের মাধ্যমে সবাই মিলে এগিয়ে যেতে হবে। এই রাষ্ট্রকে পৃথিবীর বুকে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করা হবে।”

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, “যখনই দেশে গণতন্ত্র হত্যার চেষ্টা হয়েছে, তখনই জনগণ তা প্রতিহত করেছে। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যার পক্ষে ছিল।”

তিনি বলেন, “অতি দ্রুত আগামী জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হবে বলে আশা করছি। তবে নির্বাচন ঠেকাতে বিরোধী শক্তি ষড়যন্ত্র করছে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে যেন কেউ নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করতে না পারে।”

জুলাই ঘোষণাপত্রে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার নাম না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার নাম না থাকার বিষয়টি আমাকে ব্যথিত করেছে। তবে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশের জন্য স্বাগত জানাই।”

সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত বছরের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, “বিএনপি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছে, মাথা নত করেনি।”

র‍্যালি-পূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। সঞ্চালনায় ছিলেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এতে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক।