ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বরিশালে বৈছাআ নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫০:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • / 296

বরিশালে বৈছাআ নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন (বৈছাআ) বরিশাল জেলা কমিটির পদ স্থগিত হওয়া যুগ্ম সদস্যসচিব মো. মারযুক আব্দুল্লাহসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। পটুয়াখালীর দুমকি থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) নূরুজ্জামান বাদী হয়ে গত ৬ জুন মামলাটি দায়ের করেন। তবে বিষয়টি সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে।

মামলায় আসামি করা হয়েছে মারযুক আব্দুল্লাহ ছাড়াও বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার চরআইচা গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক হাওলাদারের ছেলে শিপন হাওলাদার এবং বরিশাল সদর উপজেলার আব্দুস ছত্তার হাওলাদারের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে।

মামলার বিবরণে বলা হয়, পটুয়াখালীর পায়রা সেতুর টোল প্লাজার চেকপোস্টে সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ তল্লাশি চালায়। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে থাকা তিনজন লোক চেকপোস্টের কাছাকাছি পৌঁছে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ শিপন ও মামুনকে আটক করলেও মারযুক পালিয়ে যান।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য এবং বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন বলে স্বীকার করেন।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, আটক দুজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক মারযুককে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আটককৃতদের কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল, ওয়াকি-টকি, ইলেকট্রিক শক ডিভাইস, একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় বিএনপি নেতা ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে আসামি করে হয়রানিমূলক মামলার অভিযোগ উঠেছিল মারযুকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর চলতি বছরের ২০ মে বৈছাআ বরিশাল জেলা কমিটি তার পদ স্থগিত করে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বরিশালে বৈছাআ নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডাকাতি প্রস্তুতির মামলা

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫০:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী ছাত্রআন্দোলন (বৈছাআ) বরিশাল জেলা কমিটির পদ স্থগিত হওয়া যুগ্ম সদস্যসচিব মো. মারযুক আব্দুল্লাহসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা হয়েছে। পটুয়াখালীর দুমকি থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) নূরুজ্জামান বাদী হয়ে গত ৬ জুন মামলাটি দায়ের করেন। তবে বিষয়টি সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে।

মামলায় আসামি করা হয়েছে মারযুক আব্দুল্লাহ ছাড়াও বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকার চরআইচা গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক হাওলাদারের ছেলে শিপন হাওলাদার এবং বরিশাল সদর উপজেলার আব্দুস ছত্তার হাওলাদারের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে।

মামলার বিবরণে বলা হয়, পটুয়াখালীর পায়রা সেতুর টোল প্লাজার চেকপোস্টে সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ তল্লাশি চালায়। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে থাকা তিনজন লোক চেকপোস্টের কাছাকাছি পৌঁছে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ শিপন ও মামুনকে আটক করলেও মারযুক পালিয়ে যান।

আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য এবং বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করতেন বলে স্বীকার করেন।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, আটক দুজনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পলাতক মারযুককে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। আটককৃতদের কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল, ওয়াকি-টকি, ইলেকট্রিক শক ডিভাইস, একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় বিএনপি নেতা ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে আসামি করে হয়রানিমূলক মামলার অভিযোগ উঠেছিল মারযুকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর চলতি বছরের ২০ মে বৈছাআ বরিশাল জেলা কমিটি তার পদ স্থগিত করে।